ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবনগর ও দর্শনা থানার সীমান্তে মাদক চোরাচালানিরা থেমে নেই। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মানুষ যখন ঘরবন্দি তখন সুযোগ নিচ্ছে মাদক চোরাচালানিরা। প্রতিদিনই বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের হাতে উদ্ধার হচ্ছে মদ, ফেনসিডিল ও গাঁজা। এপারের চোরাচালানিরা ওপারে চোরাচালানিদের সঙ্গে মেলামেশা করছে। এতে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে।
র্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, শনিবার বিকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝিনাইদহ শহরের উপকণ্ঠে সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের সামনে থেকে ৫১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই জন মাদক চোরাচালানিকে আটক করে তারা। আটককৃতরা হলেন—ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের সমশের মাতব্বরের ছেলে সুন্নাহ ও একই গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে জিন্নাত মোল্লা। তারা দর্শনা সীমান্ত থেকে মাদক নিয়ে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন। বিজিবির চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, শনিবার বড়োবলদিয়া বিওপির টহরদল ডুমবাড়ি ঘাট থেকে ৩৯৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।
বিজিবির খালিশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেঃ কর্নেল কামরুল আহসান জানান, ২৮ মার্চ উথলী বিওপির টহলদল জীবননগর উপজেলার সন্তোষপুর মাঠ থেকে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ইমরান হোসেন পিন্টু নামের এক মাদক পাচারকারীকে আটক করে। ২৭ মার্চ বিজিবি মহেশপুরের পলিয়ানপুর মাঠ থেকে ৫৮ বোতল ও চুয়াডাঙ্গার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের মাঠ থেকে ২৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। ২১ মার্চ দর্শনার হাফিজুর রহমানকে ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে বিজিবি। একই দিন দর্শনা থানাধিন পারকৃষ্ণপুর মাঠ থেকে ৪৭ বোতল মদ ও ৮৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে বিজিবি।
বিজিবির খালিশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল কামরুল আহসান বলেন, মাদক চোরাচালানিদের করোনায় মৃত্যু ভয় নেই। তারা সুযোগ নিচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে বিজিবি সীমান্তে টহল জোরদার করেছে।