চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনে জোরালো প্রচারণা

শেষ মুহূর্তে চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে প্রচার-প্রচারণা অত্যন্ত জোরালো রূপ নিয়েছে। সময় স্বল্পতার কারণে আসন দুটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সকলেই নিজ নিজ প্রতীকের জন্য ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ও মহল্লায় গিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা-১ (সদর-আলমডাঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট মনোনীত প্রার্থী দুই মেয়াদের এমপি বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি। তিনি গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা সবদিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। এই আসনে বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ মূলত নতুন মুখ। মনোনয়ন প্রাপ্তির সাথে সাথে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে তিনি যতটা জোরেশোরে ও দ্রুততার সাথে এগুচ্ছিলেন কার্যত মাত্র অল্প ক’দিনের ব্যবধানে এখন তার প্রচার-প্রচারণায় আর আগের গতি ও তত্পরতা নেই। কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য তিন জন প্রার্থী থাকলেও তারা জনসমর্থনে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ (সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন-দামুড়হুদা-জীবননগর) আসনে বিগত দুই মেয়াদের বর্তমান সংসদ সদস্য নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলী আজগর টগর আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট মনোনীত প্রার্থী। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে তিনি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান খান বাবু। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-কোষাধ্যক্ষ ও বিজিএমই’র অন্যতম নেতা এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান খান বাবুর গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা বেশি। এই আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী পিছিয়ে থাকলেও তার অনুসারী বিএনপি ও জামায়াত জোটের ভোটাররা গোপনে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এছাড়া এই আসনের অন্য তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অনেকটা পিছিয়ে রয়েছেন।