একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ মধুখালী-বোয়ালমারি-আলফাডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত। এ আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের আসন বলেই পরিচিত। এ আসনটিতে এ বছর চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত সাবেক সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন বুলবুল, বিএনপি মনোনীত বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর, এনপিপি মনোনীত আম প্রতীকে মোঃ জাকারিয়া এবং ইসলামী আন্দোলন মনোনীত পাখা প্রতীকে ওয়ালিউর রহমান রাসেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৪৭ বছরের মধ্যে এ পর্যন্ত সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটেই এমপি নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ টিকিটে নির্বাচিত এমপি কাজী সিরাজুল ইসলাম ২০০৫ সালে বিএনপিতে যোগদান করায় আসনটি শূন্য হওয়ায় উপ-নির্বাচনে বিএনপির শাহ্ মোঃ আবু জাফর এমপি নির্বাচিত হন।
’৯৬-এর ভোটারবিহীন নির্বাচনে বিএনপি থেকে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম অল্প সময় এমপি ছিলেন। আর বাকি সময় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। চলতি বছর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবার নতুন মুখ হিসেবে প্রশাসনের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন বুলবুলকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় এবং জনমতে বেশ এগিয়েই আছেন। অপরদিকে ২০ দলীয় জোটের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ফরিদপুর-১ আসনে তিনবার নির্বাচিত সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর নির্বাচনে পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন। তবে তার নির্বাচনী প্রচারণা তেমন দেখা যাচ্ছে না। কোথাও তেমন কোনো ব্যানার বা পোস্টার দেখা যাচ্ছে না। তবে মাইক প্রচারে ভোট প্রার্থনা করছেন ধানের শীষ প্রতীকে।
অন্যদিকে এনপিপি মনোনীত আম প্রতীকের প্রার্থী জাকারিয়া হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন মনোনীত পাখা প্রতীকের প্রার্থী ওয়ালিউর রহমান রাসেল শুধুমাত্র মাইক প্রচার ও পোস্টারেই নির্বাচনী প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে।
সাধারণ ভোটারের বক্তব্য মূল লড়াই হবে নতুন মুখ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রার্থী মনজুর হোসেন বুলবুল এবং বিএনপি মনোনীত পুরনো মুখ সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফরের ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে।