করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে সারা দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। চলবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ছুটির সময় আরো বাড়বে। তাছাড়া এমনিতেও বছরের শুরুতে প্রকাশিত ছুটির তালিকায় এপ্রিলের ২৫ তারিখ থেকে টানা এক মাসেরও বেশি সময় পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কথা। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কয়েক কোটি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরদ্বয় সংসদ টেলিভিশনে বিভিন্ন শ্রেণির বিভিন্ন বিযয়ের ওপর শ্রেণি পাঠদান প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে। নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুত্ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সচেতনতা, ক্লাসের সময়ের সীমাবদ্ধতা, শিক্ষার্থীর তাত্ক্ষণিক প্রশ্ন করার সুযোগ না থাকা ও প্রদত্ত পাঠের শিখনফল যাচাই ইত্যাদি সীমাবদ্ধতার পরেও বিষয়টি শুরুতেই শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে সবচেয়ে বড়ো যে সমস্যার কারণে সিংহভাগ শিক্ষার্থী যারা গ্রাম বা মফস্বল এলাকায় থাকে এবং যাদের বাসায় ক্যাবল সংযোগের সুবিধা নেই তারা এই সুযোগ হতে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অত্যন্ত চমত্কার উদ্যোগটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জন স্বভাবতই কঠিন হবে। তাই ক্লাসগুলো সংসদ টেলিভিশনের পরিবর্তে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)- তে প্রচার করার ব্যবস্থা করা গেলে গ্রাম ও মফস্বল এলাকার শিক্ষার্থীরাও নিশ্চিতভাবেই উপকৃত হতো বলে মনে করি। উপর্যুক্ত বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু সদয় দৃষ্টি প্রত্যাশিত।
আবু ফারুক, সহকারী শিক্ষক,
ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বান্দরবান