মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে যুবরাজ সিংয়ের রেষারেষি অনেক আগের গল্প। ফলে তার কাছ থেকে যুবরাজ বেশি সমর্থন পাননি, এটা খুব গোপন কথা নয়। কিন্তু বলা হতো যে, বিরাট কোহলি যুবরাজের খুব ভক্ত। এতদিন পর এসে যুবরাজ সিং বলছেন, তিনি ধোনি বা কোহলি, কারো কাছ থেকেই তেমন সমর্থন পাননি। যেটা পেয়েছিলেন তিনি সৌরভ গাঙ্গুলির কাছ থেকে।
সৌরভের সময়ই যুবরাজ তার সেরা ফর্মে ছিলেন। সৌরভ তাকে দলে রাখার জন্য বিশেষ তদবিরও করেছেন। কিন্তু ধোনির সময়ই ২০১১ বিশ্বকাপ জেতার পথে সেরা পারফরমার ছিলেন যুবরাজ। তারপরও এই সাবেক অলরাউন্ডার বলছিলেন, ‘আমি সৌরভের অধীনে অনেক ম্যাচ খেলেছি। তার কাছ থেকে অনেক সমর্থন পেয়েছি। এরপর মাহি (ধোনি) দায়িত্ব নিল। সৌরভ ও মাহির মধ্যে তুলনা করা একটু কঠিন। আমার সৌরভের সময়ের স্মৃতিই বেশি মনে পড়ে। কারণ, আমি ঐ সময় অনেক সমর্থন পেয়েছি। আমি মাহি বা বিরাটের কাছ থেকে ঐ ধরনের সমর্থন পাইনি।’
স্পোর্টস স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এসব কথা বলছিলেন যুবরাজ সিং। ভারতের হয়ে ৩০৪টি ওয়ানডে খেলেছেন যুবরাজ। এর মধ্যে ১১০টি খেলেছেন তিনি গাঙ্গুলির অধীনে। আর ১০৪টি খেলেছেন ধোনির নেতৃত্বে।
সাবেক এই বাঁ-হাতি মনে করেন, বর্তমান ভারতীয় দলে একজন ভালো মানুষ দরকার। যিনি খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে পারবেন। যাতে করে খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্স ভালো হয়।
যুবরাজ গত বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। তিনি মনে করেন বিরাট কোহলির এই দলে প্যাডি আপটনের মতো কাউকে দরকার। যিনি মাঠের বাইরের ব্যাপার নিয়ে কথা বলবেন। গ্যারি কারস্টেনের সময় ভারতীয় দলের মানসিক স্বাস্থ্য ও কন্ডিশনিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন আপটন।
তার কথা বলতে গিয়ে যুবরাজ বলছিলেন, ‘ভারতীয় দলে এখন একজন ভালো মানুষ দরকার, যে কি না মাঠের বাইরের ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বলতে পারে। মাঠের বাইরের ব্যাপারগুলো মাঠের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। তাদের আসলে একজন যোগ্য মনোবিদ দরকার। যে এই খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ব্যাপারে গাইড করতে পারে। এদের আরো ভালো মানুষ করতে তুলতে হবে। আমাদের প্যাডি আপটন ছিল। আমরা ওর সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন বা ভয় বা ব্যর্থতা নিয়েও কথা বলতাম। এটা আমাদের খুব উপকৃত করেছিল। এরকম কাউকে এখন দলে দরকার।’