২০১৯ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ৩ কোটিরও বেশি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যেগুলোতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে প্রায় ৬ কোটি মানুষ। এই সংখ্যা বেসরকারি খাতে কাজ করা মোট জনবলের প্রায় অর্ধেক। এসব ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই মার্কিন অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি, করোনার ছোবলে যেগুলো এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। লস এঞ্জেলসের কলোরাডো বুলেভার্ডের একটি ব্লকে অবস্থিত সংকটাপন্ন কয়েকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছে বার্তা সংস্থা সিএনএন। এরা হলেন ঈগল রক কমিউনিটি আকুপাংচার নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক ভ্যালেরি ব্রাউন, বাচ্চাদের আর্ট স্টুডিও ‘পার্পল টুইগ’ এর মালিক সামারা কগি, ফিটনেস সেন্টার ‘স্টুডিও মেটামরফসিস’ এর মালিক জেন ইয়েটস ও অ্যালেক্স হারটুনিয়ান দম্পতি, ‘ব্লুম স্কুল অব মিউজিক অ্যান্ড ড্যান্স’ এর মালিক লরা পোর্টার, কাপড়ের দোকান ‘ন্যাটিভ বাটিক’ এর মালিক মিশেল হেলসেথ এবং ক্যাফে শপ ‘ফোর ক্যাফে’র মালিক মিশেল উইলটন। এরা সকলেই অনেক আশা নিয়ে অভিজাত এলাকা কলোরাডো বুলেভার্ডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছিলেন। গত কয়েক বছরে তাদের ব্যবসা বেশ জমেও উঠেছিল। কিন্তু সব শেষ করে দিল করোনা ভাইরাস। কবে এই দুঃস্বপ্নের দিনগুলো শেষ হবে, জীবন বাঁচলে আবার আগের মত রমরমা ব্যবসা করতে পারবেন- এই আশা নিয়েই ঘরে বন্দিদশা কাটাচ্ছেন তাঁরা।—খবর সিএনএন