বগুড়ায় সামাজিক দূরত্ব মানছে না অনেকেই!

সেনাসদস্যদের মাইকিং অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

জনসচেতনতায় বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কর্তব্যরত সেনাসদস্যরা সতর্কতামূলক মাইকিং করছেন। অন্যদিকে বগুড়া শহরের ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলোতে সামাজিক দূরত্ব চিহ্নিত আঁকা থাকলেও তা মানছেন না কেউ।

বগুড়ায় করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও অনেকেই বিনা কারণে নানা অজুহাত দেখিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা শুরু করে। ঘোষণার পর কয়েক দিন শহর অনেকটা জনশূন্য হয়ে পড়লেও দুই দিন হলো হঠাত্ করেই লোকজন বাইরে বের হতে থাকে। বুধবার বিকাল থেকে বগুড়ায় পুলিশ র্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও তাদের অবস্থানটা জোরদার করে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বগুড়া শহরের কেন্দ্রস্থল সাতমাথার সাত প্রান্তে সেনা সদস্য, র্যাব, পুলিশ অবস্থান নেয়। মুহূর্তেই শহরের দৃশ্যপট পালটে যায়। জনশূন্য হতে শুরু করে সাতমাথা। এ সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে হ্যান্ড মাইকে বারবার প্রচার করা হয়।

বগুড়া শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে শহরের বেশির ভাগ ওষুধের দোকানগুলো থাকায় সেখানে জনসমাগম বেশি। এ সময় দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবীদের আঁকা সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে আঁকা গোলাকার বৃত্তের মধ্যে কেউ অবস্থান না করে জটলা পাকিয়ে ওষুধ নিতে দেখা যায়। বেশ কয়েক জন ওষুধ ক্রেতার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, জরুরিভাবে নিতে হচ্ছে ওষুধ তাই গোলাকার বৃত্তের প্রতি নজর নেই।  বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালের আরএমও ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, সামাজিক দূরত্ব না মানলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি। কারণ সহজে এই রোগ ধরা পড়ে না। তাই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও মাস্ক পরিধান করা উচিত।