ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা
ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রকৃতির বৈচিত্র্য আবহাওয়া বইতে শুরু করেছে। বর্তমানে ভর চৈত্র মাসে যেখানে ২৪ ঘণ্টাই গরম থাকার কথা সেখানে দিনে গরম আর রাতে পড়ছে প্রচণ্ড শীত। দিনে পাখা ছাড়া টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়ে। আর সন্ধ্যার পর থেকে রাতে পৌষ-মাঘ মাসের শীতের ন্যায় লেপ গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। প্রকৃতির এ প্রতিকূল বৈচিত্র্য আবহাওয়ায় মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রকার রোগবালাই। বিশেষ করে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ শীতজনিত রোগে ভুগছেন শত শত মানুষ। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। এতে ওষুধের দোকানগুলোতে বাড়ছে ভিড়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিমউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধ্যমতো রোগীদের চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই টেলিফোনে সেবা নিচ্ছেন। এছাড়া যারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন তাদের চিকিত্সা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মনোহরগঞ্জে বাড়ছে সর্দি-কাশির প্রকোপ
মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, চৈত্র মাসে এখনো কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে প্রকৃতি। পৌষ-মাঘ মাসের মতোই ঘন কুয়াশা। এমন বৈরী আবহাওয়ায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বাড়ছে সর্দি-কাশির প্রকোপ। বৃহস্পতিবার সকালেও দেখা গেছে এমন চিত্র। এলাকাবাসী জানান, প্রায় দুই মাস আগেই শেষ হয়েছে শীতের প্রভাব। চৈত্রের খরতাপে দিনে ধুলাবালি, প্রচণ্ড গরম আবার রাতে ঠাণ্ডা, ভোরে কুয়াশা এমন আবহাওয়ায় সর্দি-কাশিসহ অন্যান্য রোগব্যাধিও অনেকটা বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিসর্গ মিরাজ চৌধুরী ইত্তেফাককে জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি হতে পারে। সর্দি-কাশি হলে যে করোনা হবে এমনটি নয়। তবুও তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।