কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অবস্থানরত জাহাজ, কোস্টার, কার্গো ও বার্জের মাস্টার, সুকানি ও কর্মচারীদের বাজারে যাওয়া নিরুত্সাহিত করতে সন্ধ্যা নদীতে ভাসমান বাজার চালু করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির সহায়তায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বুধবার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সন্ধ্যা নদীতে নোঙর করা জাহাজগুলোতে ট্রলারে করে ন্যায্যমূল্যে দেশি মুরগি, চাল, ডাল, আদা, রসুন, তেল, সাবান, কাঁচা তরিতরকারিসহ নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ক্রমান্বয়ে উপজেলা নদীর তীরে অবস্থিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে।
জাহাজের মানুষকে যাতে বাজারে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে শাকসবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে না হয়, সেজন্য উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ভাসমান বাজারের ট্রলার প্রশাসনের সহায়তায় জাহাজে জাহাজে যাচ্ছে ভাসমান বাজারের ট্রলার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা বলেন, করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় মানুষকে নিরাপদে ঘরে থাকার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বাজার চালু করা হয়েছে তার পাশাপাশি নদী চলাচলকারী মালবাহী জাহাজে কর্মরত মানুষের জন্য ভাসমান বাজার চালু করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিঞা মনু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. খালেদা খাতুন রেখা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রফিকুল হক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল আহম্মেদ সুমন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান পল্টন, জেপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম নসু, কাউখালী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জি এম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।