সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন?

লকডাউনের কারণে সারাদেশের মানুষ এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে। এই সময় জরুরি প্রয়োজনে বের হতে হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একান্ত দরকার। কিন্তু সামাজিক মানুষ হিসেবে আমরা কি সেই নিয়ম মেনে চলতে পারছি? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ

করোনা ঝুঁকি মোকাবিলায় মানুষের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি অন্যতম উপায়। সামাজিক দূরত্ব বলতে বোঝায় একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের তিন ফুট দূরত্বে থাকা। যারা অসুস্থ বা আক্রান্ত তাদের সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত থাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও  বিশেষ প্রয়োজনে বের হতে হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা একান্ত আবশ্যক। রাসূল (সা.) অসুস্থতার পূর্বে সুস্থতাকে গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তাই আসুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, নিজে বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচান।

গোলাম মাওলা শিমুল

হেড অব এইচআর, বায়োফার্মা লিমিটেড

সাধারণ মানুষের অনীহার কারণে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে রাজধানীতে সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কাঁচাবাজারে বাজার করতে গিয়ে  দেখতে পাই, সারাদেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার যে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা মেনে চলছেন না বাজারে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ। ঐ এলাকার বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক পরছেন, কিন্তু  কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে বা এ ভাইরাসের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া ঠেকাতে প্রয়োজনীয় এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখাকে নিরাপদ বলে মনে করা হলেও তা না রেখেই দোকানের সামনে ভিড় করছেন। কাঁচাবাজারের দেওয়ালগুলোতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়ার মতো কোনো দেওয়ালিকা ও প্রচারণা দৃষ্টিগোচর হয়নি। এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

অমিত বণিক

উত্তরা, ঢাকা।

অফিস-আদালত, মিল-কারখানা, যানবাহনসহ সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকায় হতদরিদ্র মানুষ আর্থিক সংকটে ও দুশ্চিন্তায় পড়েছে। আমি নিজেও সে পরিস্থিতির শিকার। তবু সরকারের ঘোষিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং সচেতনতা বজায় রেখে ঘরে বসেই দিন কাটাচ্ছি।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ,

নিয়ামতপুর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।

‘থাকব না কো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগত্টাকে,/ কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে’ -জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙিক্তখানি আমরা আজ মানতে পারছি না। তার বদলে মানছি কবিগুরুর কথা। তিনি লিখেছেন, ‘ওরে, তোরা আজ যাসনে ঘরের বাহিরে...’ —এই পঙিক্তর আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনার ঘোর অমানিশাকে জয় করতে স্বেচ্ছা কারাবরণ করেছি! এভাবেই ইনশাআল্লাহ আমাদের জয় হবে। করোনায় আলো আসবেই?

তৌহিদ বিল্লাহ

কান্দাপাড়া, পলাশ, নরসিংদী?

পরিতাপের বিষয় হলো গ্রামের মানুষ এখনো সচেতন নয়। স্থানীয় হাট-বাজার, চায়ের দোকানগুলো হরদম চলছে। দিনে সংখ্যা কম থাকলেও সন্ধ্যার পর লোকজনের জমায়েত আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। তাই গ্রাম-মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের তদারকি আরো বাড়ানো প্রয়োজন।

নজরুল ইসলাম নোবু

চতুরাডাংগী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

বিশ্বের আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র দক্ষিণ কোরিয়া করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বড়ো ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে। আর তা সম্ভব হয়েছে সময়মতো ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে। এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে তারা মোবাইল ফোনের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আক্রান্ত অঞ্চলের আশেপাশের সব নাগরিকের মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। গ্লোবাল পজিনশনিং সিস্টেম (জিপিএস) কাজে লাগিয়ে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্তের ব্যবস্থা করে তাদের নজরদারিতে রেখেছে। এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে এক মিটার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিশ্বব্যাপী অনুসরণ করার রীতি স্বয়ং সেই দেশের প্রেসিডেন্ট অক্ষরে অক্ষরে পালন করায় সমগ্র জনগণ উদ্বুদ্ধ হয়ে তা অনুসরণ করে হাতেনাতে ফল পেয়েছে। হাঁচি বা কাশি দেওয়া ব্যক্তির কাছ থকে অন্তত ১ মিটার বা ৩ ফুটের বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে আমাদের। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এড়িয়ে চলতে হবে শারীরিক স্পর্শ।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর (আরমান ভূঁইয়ার বাড়ী), বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

সচেতনতার জায়গায় সবাইকে কার্যকর হতে হবে। বন্ধু, বান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের ফোনে সচেতন করা যেতে পারে। ম্যাসেঞ্জারে ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন। মেইল করতে পারেন। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ট্যাগ করতে পারেন। সামাজিক দূরত্ব না মানলে কী হতে পারে। সেটা যুক্তরাষ্ট্র, ইতালির দিকে তাকালেই বোঝা যায়। এই রাষ্ট্র দুটি আগেভাগে সামাজিক দূরত্ব মানেনি। বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে প্রতিদিন। তাই আমাদের সবার উচিত, সঠিকভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। মাত্র কটা দিনই তো।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

আমি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারছি না। কারণ আমাদের এ অঞ্চলের ৮০ শতাংশ মানুষ সকাল থেকে রাত ৯-১০টা পর্যন্ত সময়ে-অসময়ে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মহল্লার চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান-পাটে, রাস্তা-ঘাটে পুরুষ, নারী, শিশুর  সমাগম ঘটিয়ে চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা ছুটি পেয়ে ২০-৩০ জন মিলে খেলাধুলা করছে। বিকাল ৫টার পর সকল পেশার সব বয়সি ৮০ শতাংশ  মানুষ  রাস্তায় বের হয়ে ঘোরাফিরা করছে।।

আলহাজ জিয়াউল হক সরকার

করমতলা, পূবাইল, গাজীপুর মহানগর।

সাধারণ মানুষের অনীহার কারণে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে  সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে উঠছে। এ বিষয়ে কারো সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাদের নাখোশ আচরণের মুখোমুখি হতে হয়। সাধারণ মানুষের বোঝা উচিত তাদের বাড়িতে থাকার জন্যই সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ , সাভার, ঢাকা।

গোটা দেশের মানুষ করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে বন্দি। বাসা থেকে বের হওয়া নিষিদ্ধ। যাকে বলা হয় লকডাউন। তবে জরুরি প্রয়োজনে বের হতে হলে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।

অ্যাডভোকেট এম কে মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন

শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

করোনা সংক্রমণের ছোবল থেকে সারা বিশ্বের কবে মুক্তি মিলবে তা এ মুহূর্তে বলা খুব কঠিন। এর মধ্যে সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় পড়ে গেছে প্রতিদিনের খেটে খাওয়া মানুষ। নিম্নবিত্তের এমন সব দিনমজুর যাদের প্রতি দিন আয় করে খেতে হয়, পেট বাঁচাতে হয়, তারা বের হচ্ছেন কাজের সন্ধানে। জেনেশুনে হলেও বের হচ্ছেন। সামাজিক দূরত্বের সঙ্গে চলতে পারছেন না। সুতরাং ঐ সমস্ত লোকের কথা আমাদের ভাবতে হবে। এসব মানুষকে সাহায্যের জন্য সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসা দরকার।

হোসনে আরা করিম

হাজারীবাগ, ঢাকা

সামাজিক দূরত্ব বলতে বোঝায় নিজের বাসায় থাকা, ভিড়ের মধ্যে না যাওয়া। এক জন আরেক জনকে স্পর্শ না করা। বিশেষ কোনো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া মোটেই উচিত নয়।

ফারুক আলম

মালিবাগ, ঢাকা

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হলে নিজের ঘরে সেভ কোয়ারেন্টাইন হওয়া জরুরি। আমরা প্রতিদিন যারা মসজিদে নামাজ পড়তাম তারা এখন নিজের ঘরেই নামাজ আদায় করছি। নিজেদেরকে সামাজিক দূরত্বে রাখতে হলে সংযতভাবে বাড়িতে থাকতে হবে। এবং যার যে ধর্ম সে ধর্ম, আচার অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

দিনমজুরদের পক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। সরকারিভাবে যদি প্রতিটি অভাবী মানুষের চাহিদা পূরণ করা যেতো সে ক্ষেত্রে হয়তো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হতো।

মো. আব্দুর রাজ্জাক নাছিম

চান্দাই কোনো, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ

নাগরিকদের ঘরমুখো করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। এই ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদ উল্লাহ

স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর-১, ঢাকা

আমাদের সংস্কৃতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বেশ কঠিন। এর আগে আমরা নানা দুর্যোগে সম্মুখীন হয়েছি, তাতে সামাজিক যোগাযোগ ছিল, দূরত্ব ছিল না। এইজন্য বর্তমানে শুধু মাস্ক পরা ছাড়া গ্রামাঞ্চলে এই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে দোকান-বাজার এবং আড্ডাখানা জমে উঠেছে। এ ব্যাপারে শুধু সমাজ প্রতিনিধিরা নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও সর্তক দৃষ্টি রাখা দরকার।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া , মানিকগঞ্জ

করোনায় ঘরবন্দি মানুষ। আতিথিয়তা নিরুত্সাহিত করা হচ্ছে। কোথাও যাবেন না। কোথাও আসবেন না। বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে। যেখানেই আছেন সেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। সবাই এখন প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত। কী নিষ্ঠুর এখন সবাই!

সন্জু

মাইজপাড়া, ধুপপুল, চট্টগ্রাম

বিশেষ করে তরুণদের কাউকে কাউকে দেখা যাচ্ছে মহল্লায় দুই গ্রুপ করে আড্ডা দিতে। দশের এই দুঃসময়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে করোনা মোকাবিলায় দায়িত্বশীল হতে হবে।

মো. হানিফ মিয়া

মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি নিজেকে যথাসম্ভব বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছি। নিজের ঘরে অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সবার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আপাতত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করছি।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

এ মুহূর্তে সতর্কতার জন্য সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা খুব দরকার। সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব স্থাপন কোনো প্রতিষেধক নয়, কিন্তু প্রতিষেধক আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত সংক্রামক রোগ বিস্তার প্রতিরোধের জন্য এটি সর্বোত্তম ওষুধবিহীন পদক্ষেপ। সামাজিক দূরত্ব স্থাপনের উদ্দেশ্য হলো সংক্রামক রোগ বহনকারী ব্যক্তির মাধ্যমে সংস্পর্শ এড়ানোর সম্ভাবনা কমানো। একইসঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তি যেন অপরের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে তথা রোগ সঞ্চালন কমানো এবং সর্বোপরি মৃত্যুহার কমানো। তবে এটি যেভাবেই ছড়াক না কেন, শুধু সরকারের পদক্ষেপের ওপর ভরসা করে থাকলেই চলবে না, জনগণকেও দায়িত্বশীল, সচেতন ও সাহসী হতে হবে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড,  গেন্ডারিয়া, ঢাকা

ইকোনোমিক অ্যাক্টিভিটিজ বন্ধ করে সামাজিক অ্যাক্টিভিটিজ খোলা রাখা দুই দিক থেকে ক্ষতিকর বলে মনে করি। অর্থনীতির মন্দাও বরণ করতে হবে, অন্য দিকে যে আশায় এটা করা হলো, করোনা সামাল দেওয়া যাবে, তা-ও হচ্ছে না। মানুষ কোনো কারণ ছাড়াই রাস্তায় যাচ্ছে, আড্ডা দিচ্ছে। লাইন ধরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে। সরকারের প্রতি আবেদন, সবকিছু যখন বন্ধ করেছেনই, সামাজিক অ্যাক্টিভিটিজ জোর করেই বন্ধ করুন। কিছু্ করার নাই। আগামী দুই সপ্তাহ খুব ভয়ের। হিসাব মতো এপ্রিলের ৭ থেকে করোনা বিস্ফোরণ শুরু হওয়ার আশঙ্কা! রাস্তায় অকারণে বের হওয়া মানুষদের জরিমানা করতে শুরু করুন। ঐ অর্জিত অর্থ গরিব মানুষের মধ্যে বিলি করে দিন...।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

করোনা ভাইরাস বিস্তার ও সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্বই একমাত্র কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশে আমরা এখনো যদি তা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে হয়তো অনেক প্রাণ বেঁচে যাবে। দুর্বিষহ জীবন থেকে রক্ষা পাবে অনেক নাগরিক। ইতিমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন একটি ভালো সিদ্ধান্ত। আমরা আশা করি, তাদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন যোগ দিয়ে সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় শূন্য সহিষ্ণুতা প্রয়োগে সক্ষম হবে।

বিলকিছ আক্তার

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।