স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের শঙ্কা মাথায় নিয়েই মাঠে গড়িয়েছিল বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ। কিন্তু এক রাউন্ড পরই স্থগিত হয়ে যায় ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণীয় এই প্রতিযোগিতা। করোনার কারণে গত ১৯ মার্চ সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম স্থগিত করেছে বিসিবি। সঙ্গত কারণে বন্ধ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগও।
তবে লিগের নিয়ন্ত্রক ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) এখন অপেক্ষায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার। করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় ইতিমধ্যে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ জুটি বর্ধিত করেছে সরকার। এর মধ্যে আশাব্যঞ্জক উন্নতি হলেও ১৫ এপ্রিল অব্দি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে সিসিডিএম। সবকিছু স্বাভাবিক হলে এরপর সংক্ষিপ্ত পরিসরেও লিগ আয়োজনের চিন্তা করছে সংস্থাটি।
সিসিডিএমের সদস্য সচিব আলী হোসেন গতকাল এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেখব। যদি পরিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে সংক্ষিপ্ত পরিসরে হলেও প্রিমিয়ার লিগ করার চিন্তা-ভাবনা আছে। সব ক্লাবের সঙ্গে আলাপ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ অবশ্য দেশের করোনা পরিস্থিতি উন্নতির কোনো লক্ষণই এখন দেখা যাচ্ছে না। গতকাল নতুন করে আক্রান্ত ৫ ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৬১ জন।
করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে রোজার মাঝেও লিগ চলবে। পুরো লিগ হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই শেষ হয়ে আসছে। এমনকি দুই গ্রুপ করে সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে প্রিমিয়ার মাঠে গড়াতে পারে। সে ক্ষেত্রে ক্লাবগুলোর আপত্তি থাকার কথা নয়। আবার অনেক ক্লাব এখনো পুরো লিগ খেলার আশা ছাড়ছে না। যেমনটা আবাহনী ক্লাব। গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা এবার শক্তিশালী দল গড়েছে। মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে লিগের প্রথম ম্যাচেই পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবকে হারিয়েছে আবাহনী। ক্লাবটির ম্যানেজার শেখ মামুন বলেছেন, খেলা শুরু করা গেলে পুরো লিগই হতে পারে। রোজার মাসে খেলা হলে তো সমস্যা নেই। যদি পরিস্থিতি ভালো হয়, আবাহনী চাইবে পুরো প্রিমিয়ার লিগ হোক।’
এদিকে ওয়ানডে ভার্সনের প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগের আগে মাঠে গড়ানোর কথা টি-২০ লিগ। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোই খেলবে এই লিগে। যেটি আয়োজনের সম্ভাবনা এখন নেই বললেই চলে। গত বছর টি-২০ লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।
উল্লেখ্য, জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের পর গত ১৫ মার্চ শুরু হয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। করোনার কারণে এক রাউন্ডের পরই বন্ধ হয়ে যায় লিগ।