পটিয়া ও সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির নিকটাত্মীয় হওয়ায় ও সংস্পর্শে আসার কারণে পটিয়া ও সাতকানিয়ায় পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বেয়াইকে দেখতে যাওয়ার কারণে ইউসুফ আলীর বাড়িটি লকডাউন করেছে।
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিটির মেয়ের বাড়িসহ চার বাড়ির ১৩ ঘর লকডাউন করে লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন। বাড়িগুলো উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পুরানগড় এলাকায়।
করোনা শনাক্ত ব্যক্তির আত্মীয়র বাড়ির খবর পেয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর এ আলম গত ৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুরানগড় ইউনিয়নের বাড়িগুলো লকডাউন করে দেন।
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারিস্থ জামিজুরী গ্রামে শনিবার ভোর রাত থেকে আবদুল আলীম ফকির বাড়ির শাহ আলমের পরিবারকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে লকডাউন করে রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। গত শুক্রবার চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার থানাস্থ দামপাড়া এলাকার ১ নম্বর গলিতে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় ছয়টি বাড়ি লকডাউন করে জেলা প্রশাসন।
এদিকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি যাদের সঙ্গে মেলামেশা করেছেন তাদের মধ্যে চন্দনাইশ উপজেলার জামিজুরি গ্রামের শাহ আলম ও তার পরিবারের ১৫ জন সদস্য রয়েছে।
চন্দনাইশ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. শাহীন হাসান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।