মনোহরগঞ্জের হাওরা সেতু
মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
১৪ বছর পর এপ্রোচ সড়কে মাটি ভরাট করায় চলাচল উপযোগী হলো কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাওরা সেতু। এতে যাতায়াতে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেল আশপাশের এলাকার অন্তত ১৫ গ্রামের মানুষ।
জানা যায়, উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সঙ্গে ঝলম (দ.) ইউপি ও থানা প্রশাসনের যোগাযোগের সুবিধার্থে ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি ডাকাতিয়া নদীর ওপর ঐ সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু ২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এপ্রোচ সড়কে মাটি ভরাট না করায় গত ১৪ বছর ধরে চলাচল অনুপযোগী সেতুটি জনগণের কাজে আসেনি। এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি সেতুটির এপ্রোচে মাটি ভরাট করা হলে বাইশগাঁও ও ঝলম (দ.) ইউপির বাসিন্দাদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি হয়েছে। সেতুটির দুই পাশে এপ্রোচ সড়ক টিকিয়ে রাখতে ও যান চলাচল উপযোগী করতে পর্যাপ্ত মাটি ভরাট করে গার্ড ওয়াল নির্মাণের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা হাওরা গ্রামের রাসেল মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বর্ষাকালে সেতুটির উভয় পাশের এপ্রোচ সড়ক পানির নিচে ডুবে থাকত। ফলে এ এলাকার বাসিন্দারা নৌকাযোগে নদী পার হতো। বর্তমানে এপ্রোচ সড়কে মাটি ভরাট করায় দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।
উপজেলার ঝলম (দ.) ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জানান, ১৪ বছর ধরে সেতুটির সুফলবঞ্চিত এ এলাকার মানুষদের মাশুল দিতে হয়েছে। বর্তমানে সেতুটির এপ্রোচ সড়কে মাটি ভরাট করায় চলাচল উপযোগী হয়েছে এবং মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিন ইত্তেফাককে জানান, সেতুটি যান চলাচল উপযোগী করার লক্ষ্যে এপ্রোচ সড়ক মেরামতসহ মনোহরগঞ্জ থেকে চড্ডা ও হাওরা হয়ে বাইশগাঁও এবং থানা থেকে পোমগাঁও বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কগুলো মেরামতের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।