পিরোজপুর অফিস
করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব যাচাই করতে পিরোজপুর জেলা থেকে রবিবার চার জনের শরীরের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজন পুলিশ কনস্টেবল এবং দুই জন তরুণী রয়েছে। এ নিয়ে এ জেলার মোট ১১ জনের নমুনা ঢাকায় আইইডিসিআরে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামে গত শুক্রবার ঢাকা থেকে বাড়িতে আসা ১৮ বছর বয়সি তরুণী গার্মেন্টস কর্মীর শরীরে জ্বরের উপসর্গ থাকায় নমুনা সংগ্রহ করে যাচাইয়ের জন্য বরিশাল হয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়। পিরোজপুর জেলা সদরে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলের (৩০) রক্তের নমুনাও পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নেছারাবাদ উপজেলায় পশ্চিম সোহাগদলের এক বৃদ্ধ (৬৫) ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠির এক তরুণীর (২০) অনুরূপ নমুনাও রবিবার বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার পিরোজপুর শহরের উকিলপাড়ার এক নারী (৩৯) ও এক তরুণী (২৬), মঠবাড়িয়া উপজেলার এক যুবক (৩৬) ও এক তরুণীর (২৬) রক্তের নমুনা করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গত সপ্তাহে ভাণ্ডারিয়ার পূর্ব ধাওয়া গ্রাম থেকে তিন জনের রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছিল।
এর মধ্যে করোনা সন্দেহে মৃত সবুজ হাওলাদারের (১৮) পাঠানো নমুনার নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম জানান। অন্য দুই জন সবুজের বড়ো ভাই ও প্রতিবেশী এক তরুণীর (১৮) রিপোর্ট ঢাকা থেকে না আসায় স্বাস্থ্য বিভাগের কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।