তখনও সুর্যোদয় শুরু হয়নি। চারদিকে আল্লাহ আকবর আল্লাহ আকবর আজানের প্রতিধ্বনি। সবাই যখন গভীর ঘুমে, তখন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগ আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল (রাসেল সরকার) সবার ঘরের দরজার সামনে ত্রাণসামগ্রী রেখে আসেন। এর মধ্যে অনেকেই নিম্নবিত্ত শ্রেণির। আবার অনেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণির।
কারও সঙ্গে ছবি না তুলে এবং কারও নাম প্রকাশ না করে নিজেই ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন ত্রাণ সামগ্রী। ফজর নামাজের আগেই দুই হাজার পরিবারের জন্য বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বিতরণ করেছেন। আবার অনেকেই তার বাসভবনে এসে নিয়ম মেনে নিজ হাতেই নিয়েছে ওইসব ত্রাণসামগ্রী।
খাবার পেয়ে ওই মানুষগুলো বেজায় খুশি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ত্রাণসামগ্রী পাওয়া একজন মধ্যবিত্ত বলেন, আমরা কখনই কারও কাছে হাত পেতে কিছু নিতে পারবো না। লোকলজ্জার ভয়ে আমরা কার কাছে ত্রাণ চাইবো। ভোরে ঘুম থেকে দরজা খুলেই দেখি একটা বড় আকারের ব্যাগ। ব্যাগে নিত্যপণ্য সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রয়েছে। এভাবেই প্রকাশ্যে নয়, জেনে-শুনে লিস্ট করে গোপনে ত্রাণ বিতরণ করায় আমরা খুশি।
এদিকে পুরান ঢাকার নবাববাড়ি পুকুরপাড় এলাকায় পাঁচ শতাধিক মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বঙ্গবন্ধু ফউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আলমের অনুরোধে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের উদ্যাগে মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আরো পড়ুন : বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সানি মাহতাব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাজি শাহ আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কলাবাগান থানা এ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির উদ্যোগে নিম্নবিত্ত শ্রেণির ১২শ’ পরিবারকে দুপুরের তৈরি খাবার বিতরণ করে। পান্থপথ, আগারগাঁও, কমলাপুর, মিরপুর-১ও ২, গ্রিণ রোড, সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় ও নিউমার্কেট এলাকায় খাবার খাবার বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাবাগান থানা এ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ রিপন, সহ-সভাপতি ইউসুফ মাল, কোষাধ্যক্ষ মো. হানিফ।
ইত্তেফাক/ইউবি