নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টাঙ্গাইল জেলাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন মঙ্গলবার বিকাল থেকে সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের চেষ্টা সত্ত্বেও লকডাউনের বিধিনিষেধ মানা হচ্ছে না।
চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, প্রশাসনের নজরদারি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল সত্ত্বেও পাবনার চাটমোহরে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। বুধবারও চাটমোহর পৌরসভার নতুন বাজারে সাপ্তাহিক হাট বসেছে।
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, পুলিশের উপস্থিতি দেখে আড্ডায় থাকা লোকজন দ্রুতই সরে যান সেখান থেকে। মিনিট দশেক অপেক্ষা করে সেখান থেকে চলে যায় পুলিশের দল। তখন প্ল্যাটফর্মে পুনরায় লোকজন জড়ো হয়ে আড্ডায় মেতে ওঠে। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে এ দৃশ্য দেখা যায়। বুধবার সকাল ১১টার দিকেও এরকম চিত্র দেখা যায় কয়েকটি স্থানে।
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, গোপালপুর-মৈনট ঘাট বন্ধ থাকার নির্দেশের পরও গোপনে জেলেনৌকায় প্রতিদিন পার হচ্ছেন অনেক যাত্রী। বুধবার ঘাট সংলগ্ন নদী পাড়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নন্দীগ্রামে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসছে হাট। তবে সে হাটের চিত্র একটু অন্য রকম। এ হাট সূর্যালোক ছড়াতেই শুরু হয়। আবার সূর্যোদয়ের সঙ্গেই সঙ্গেই শেষ হয়। মঙ্গলবার ভোরে দেখা গেছে, গাদাগাদি করে লোকজন এই হাটে এসে বাজার করছে। করোনা ও পুলিশের ভয়ে দ্রুত হাটবাজার শেষ করেন হাটে আসা লোকজন। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল জানান, জনগণকে এত বলার পরেও তারা সচেতন হচ্ছেন না। সচেতন হতে প্রতিদিন মাইকিং চলছে।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হাটবাজারে অধিকাংশ মানুষ মানছে না সামাজিক দূরত্ব। আবার ইচ্ছে থাকা সত্বেও সামাজিক দূরত্ব মানতে পারছেন না অনেকে। সোমবার সকালে শহরের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদ্যুত্ অফিস ও বিভিন্ন ওষুধের দোকানে এমন চিত্র দেখা যায়। টাকা তুলতে আসা শিক্ষক আল-আমিন জানান, আমি যখন টাকা তুলতে আসি তখন লোকজন কম ছিল কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে অনেকে টাকা তুলতে ও জমা দিতে আসায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। রবিবার সামাজিক দূরত্ব না মেনে অকারণে বাইরে ঘোরাফেরাসহ বিভিন্ন অভিযোগে জেলা সদর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া ও তাড়াশের বিভিন্ন এলাকায় ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় ।