ড্রামে করে আটলান্টিক পাড়ির দুঃসাহসিক যাত্রা

ড্রামে করে আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার দুঃসাহসিক অভিযান শুরু করেছেন ফরাসি এক নাগরিক। জ্যঁ জ্যাক সাভা নামের ওই ব্যক্তি স্পেনের একটি দ্বীপ থেকে তার যাত্রা শুরু করেছেন। তিনি আশা করছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে তার কাঙ্খিত লক্ষ্য ক্যারিবিয়ায় পৌঁছাতে পারবেন।

৭১ বছর বয়সী জ্যাক ছিলেন সেনাবাহিনীর ছত্রীসেনা। পার্ক রেঞ্জার এবং পাইলট হিসাবেও তিনি কাজ করেছেন। স্রোতের ধাক্কাতেই তার রেসিন-আবৃত প্লাইউডের ড্রামটি ২ হাজার ৮শ’ মাইল পাড়ি দিয়ে ক্যারিবিয়ায় পৌঁছাবে বলে তিনি মনে করেন। তিন মিটার লম্বা এবং ২ দশমিক ১০ মিটার চওড়া এ ড্রামটিতে থাকার জন্য ৬ স্কয়ারমিটার জায়গা আছে। আছে ছোট্ট জানালাও, যেদিক দিয়ে মাছ চলাচল করতে দেখতে পাবেন তিনি। আরো রয়েছে রান্নাঘর ও জিনিসপত্র রাখার ব্যবস্থা। যাত্রা শুরু করার পরপরই ফোনে সংবাদমাধ্যমকে জ্যাক বলেন, আবহাওয়া চমত্কার। ঘণ্টায় দু’তিন কিলোমিটার করে এগুচ্ছি। বাতাসও অনুকূলে আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তার এ যাত্রা সফল হতে বাধ্য। আরো আশ্চর্যের বিষয় ড্রামটিকে এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে করে বড় বড় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলে উঠা যায়। তিমির আক্রমণ থেকে বাঁচতেও শক্ত ও মজবুত করে এটি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া যোগাযোগ রক্ষার জন্য সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থাও আছে। এই অভিযানের জন্য সাভার খরচ পড়েছে ৬৮ হাজার ডলার। যেগুলো মূলত জোগাড় করা হয়েছে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলে।