জামালপুরে পৃথক দুই উপজেলায় অভিযান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির প্রায় তিন মেট্রিক টন চাল জব্দ করেছেন জামালপুর সদর ও মেলান্দহ উপজেলা প্রশাসন। তার মধ্যে জামালপুর সদরে ৮৫ বস্তা এবং মেলান্দহ উপজেলা থেকে ৩৫ বস্তাসহ মোট ১১০ বস্তা (প্রায় ৩ মেট্রিক) টন চাল জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়ন থেকে ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ৮৫ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রির জন্য জামালপুর পৌরশহরে নিয়ে আসার সময় এলাকাবাসীরা সেগুলো আটক করে। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খবর দিলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা ইয়াসমীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালগুলো জব্দ করেন। এ সময় তিনি ওএমএস ডিলার লুৎফর রহমান, কালোবাজারী আসুদুল্লাহ ও রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে নির্দেন দেন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে দুইশ কয়েদিকে মুক্তির প্রস্তাব
অপর দিকে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টায় মেলান্দহ উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের বেতমারী গ্রামের বজর সেকের ছেলে কালোবাজারী জব্বার সেখের গুদাম থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩৫ বস্তা অথাৎ দেড় মেট্রিক টন চাল উদ্ধার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী হাকিম তামিম আল ইয়ামীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল জব্বারের গুদামে অভিযান চালিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির দেড় মেট্রিকটন চাল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আব্দুল জব্বার পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে খাদ্য বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/এসি