ময়মনসিংহ-১১ আসনে লড়াই হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী আলহাজ কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু ও বিএনপির প্রার্থী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর মধ্যে দ্বিমুখী নির্বাচনী লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও অ্যাডভোকেট আমানউল্লাহ সরকার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-হাতপাখা) ও নাজমা আক্তার (জাকের পার্টি-গোলাপ ফুল) মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

আগামীকাল ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এই দুইজন প্রার্থী ব্যাপক গণসংযোগ করেন। দিনরাত তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে ভোটারদের সাথে কথা বলা, উঠান বৈঠক, পথসভা ও নির্বাচনী সভা করে প্রচারণা চালান। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রচারণায় নানা ধরনের সমস্যায় পড়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী। এছাড়া দলীয় ইমেজের বাইরে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বাড়তি সুবিধা হচ্ছে মরহুম মেজর আফসার বাহিনীর সমর্থন ও মানিহগঞ্জ হুজুরের জামাতা হওয়ায় প্রচুর ভক্ত রয়েছে কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনুর।

আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী আলহাজ কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হলে ভালুকাকে পরিবেশবান্ধব শিল্পনগরী করা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি ভালুকাকে একটি আধুনিক শহরে পরিণত করা হবে। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু জানান, মামলা-হামলা, সরকার দলীয় প্রার্থী ও সমর্থকদের নানা বাধার কারণে প্রচার কাজে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বিনা কারণে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে নেতা-কর্মীদেরকে। এখানে লেভেল ফিল্ড নেই। তিনি নির্বাচিত হলে ভালুকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ অবৈধ নদী-নালা, খাল উদ্ধার করে খননের মাধ্যমে কৃষিবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবেন। গ্যাস বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে ভালুকাকে একটি উন্নত ও আধুনিক শিল্পবান্ধব শহরে পরিণত করা হবে।