সিলেট-৩ আসন

নির্বাচনে অংশ নেয়া অধিকাংশ প্রার্থীকে চেনেন না ভোটাররা

সিলেট-৩ আসনের বালাগঞ্জ উপজেলায় ভোটের মাঠে নেই নির্বাচনী আমেজ। রাত পোহালেই নির্বাচন, কিন্তু জাতীয় নির্বাচন হিসেবে ভোটার ও কর্মী-সমর্থকের যতটুকু উত্সাহ-উদ্দীপনা থাকার কথা ছিল তা এখনো পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এদিকে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়েছে। ভোটাররা জানিয়েছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া একাধিক প্রার্থীকে তারা চেনেন না। এখানে নৌকা প্রতীকের পক্ষে সরব প্রচারণার লক্ষ্য করা গেলেও বিপরীতে অন্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা তেমন একটা লক্ষণীয় হয়নি বলে ভোটাররা মন্তব্য করেছেন। যদিও ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তাদেরকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করার কারণে তারা নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেননি।

স্থানীয় ভোটার সফিক মিয়া বলেন, আমি সামান্য লেখাপড়া জানা একজন মানুষ।  ফেসবুক কিতা বুঝি না, ফেসবুক চালাইতামও পারি না। খালি হুনি মানুষে ফেসবুকও ভোট চায়। ফেসবুকে যদি ভোট আনিয়া দিলাইত তে আর মানুষে ভোট করার লাগি অত ট্যাকা খরছ করে কেনে। গৃহিণী শাহানা বেগম বলেন, নৌকা আর ধানের শীষের প্রার্থীর নাম শুনেছি, অন্যদের কথা জানি না, প্রতীকও চিনি না।

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন: মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শফি আহমদ চৌধুরী, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির উসমান আলী,  খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইন (দেয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাফিজ মাওলানা আতিকুর রহমান (রিকশা) ও ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মতিন বাদশা (হাতপাখা)।