করোনায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন

বাংলাদেশের অভিবাসন সংগঠনের মোর্চা, বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি ফর মাইগ্রেশন (বিসিএসএম), এশিয়ার ১ হাজার অভিবাসন সংগঠনের আন্তর্জাতিক মোর্চা মাইগ্রেন্ট ফোরাম ইন এশিয়া (এমএফএ) এবং রামরু যৌথভাবে গতকাল রবিবার সকাল ৯টায় দেশে-বিদেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হওয়া অভিবাসী এবং অনঅভিবাসীর আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছে।

এই দিনের তাত্পর্য ব্যাখ্যা করে এমএফএ-এর সমন্বয়ক উইলিয়াম গয়েস বলেন, কোভিড-১৯ এর বিস্তার আমাদের অনুধাবন করতে সাহায্য করেছে যে, নাগরিকতা, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, লিঙ্গ ইত্যাদির ভিত্তিতে আমরা যতই নিজেদের ভিন্ন ভাবি না কেন, দিন শেষে আমাদের পরিচয় আমরা মানুষ। বিসিএসএম-এর চেয়ার, ড. সি আর আবরার বলেন, উন্নত বিশ্বে দেশীয়দের অনুপাতে অভিবাসী স্বাস্থ্যকর্মীদের মৃত্যুর আনুপাতিক হার অনেক বেশি হওয়াটা ঐ সব দেশে অভিবাসীরা যে প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই বৈষম্যের শিকার সেটাই প্রমাণ করে। বিসিএসএম-এর কো-চেয়ার, সৈয়দ সাইফুল হক দুঃখজনক এ মৃত্যুর হার কমানোর জন্য দ্রুত পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর দাবি জানান। মৃত ব্যক্তির গোসল বা তাকে খাটিয়া না দিয়ে ধর্মের অবমাননা না করতে রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী আবেদন জানান। কেননা আজ এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, মৃত ব্যক্তির দেহ হতে করোনা সংক্রমণ হয় না।

বাংলাদেশের পাশাপাশি এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশে সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় অভিবাসীবান্ধব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ নীরবতা পালন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। ব্যাংককভিত্তিক ফোরাম এশিয়ার সাতটি সদস্য প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ওয়ারবে ডি এফ, রামরু, বমসা, এমজেএফ, আসক, ইমা রিসার্স ফাউন্ডেশন, ইনাফি, বাসুগ, ইপসা, বোয়াফ, বাস্তব, রাইটস যশোর, ডেভ কম, ফিল্ম ফর পিস ফাউন্ডেশন, চেঞ্জ মেকারসহ বিসিএসএম-এর ১৭টি সদস্য প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের আরো ৩০০ সংগঠন তাদের প্রতিনিধিদের নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করে।