বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নানা দুর্যোগ-দুর্বিপাকের মধ্য দিয়ে আমাদের পালন করতে হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। ফেলে আসা বছরের দুর্যোগ, দুর্বিপাক কাটিয়ে আমরা নতুন বছরে এগিয়ে যাওয়ার সোনালী সম্ভাবনা দেখতে পাবো বলে বিশ্বাস করি। তবে এবারের নববর্ষের উত্সবে আমরা বিমর্ষ ও বেদনার্ত। গতকাল সোমবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের এক উজ্জ্বল আনন্দময় উত্সব। এই উত্সব সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা। পহেলা বৈশাখ থেকেই শুরু হয় নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার আকুলতা। নতুন বছর মানেই অতীতের সব ব্যর্থতা, জ্বরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও উত্সাহে সুন্দর সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণে এগিয়ে যাওয়া।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান দুঃসময়, মহামারি ও নৈরাজ্যের অভিঘাত সত্ত্বেও আমাদের শান্তি, স্বস্তি, সুস্থতা ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে। বিচ্ছেদ ও বিভাজন দূর করে পহেলা বৈশাখ ভরে উঠুক পারস্পরিক শুভেচ্ছায়।
তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখেও সবাই যেন ঘরে ঘরে অবস্থান করেন। আমি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি- আপনারা এই সংকটকালে অসহায় গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ান।
ফখরুল বলেন, প্রতিটি উত্সবের অন্তঃস্থলে থাকে কোমলতা, শ্রদ্ধা, সংকীর্ণহীনতা এবং হীনমন্যতা থেকে মুক্তির মন্ত্র। করোনা ভাইরাসের এই আগ্রাসন থেকে মুক্তির জন্য খোলা মনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সেটি মোকাবিলা করতে হবে। ১৪২৭ বাংলা সনের প্রথম দিনের নতুন আলোতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট কায়মনোবাক্যে দেশের সব মানুষের সুখ ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করছি।