স্কুলছাত্র নিফাত হত্যা

আলামত পুড়িয়েও শেষ রক্ষা হয়নি, গ্রেফতার হলো ৫ জন

গ্রেফতার থেকে রক্ষা পেতে হত্যায় ব্যবহূত ওড়না, পায়ের জুতা ও খেলার ব্যাট আগুনে পুড়িয়ে ফেলে ঘাতকরা। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। গাজীপুর মহানগরীর বাহাদুরপুর এলাকার অপহূত স্কুল ছাত্র ইফতিয়াক হোসেন নিফাতকে (১১) অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় মূল আসামি রফিকুল ইসলামসহ ৫ জন ধরা পড়েছে র্যাবের হাতে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নেত্রকোনার নোয়াপাড়া গ্রামের রজব আলীর ছেলে গার্মেন্টস শ্রমিক রফিকুল ইসলাম, তার মা রোজিনা বেগম, স্ত্রী তানজিনা, একই এলাকার আলী আহম্মেদের স্ত্রী মাজেদা বেগম ও কবিরুল ইসলামের স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অপর আসামি আব্দুল হামিদের ছেলে হারুন পলাতক রয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বাহাদুরপুর এলাকায় ভাড়া থাকত।

র্যাব-১ এর গাজীপুর ক্যাম্পের কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বুধবার বিকেলে অপহূত হয় ওই এলাকার হযরত আলীর ছেলে ৫ম শ্রেণির ছাত্র নিফাত। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৃহস্পতিবার রাতে ওই ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে প্রধান পরিকল্পনাকারী রফিকুল স্বীকার করে তিন মাস আগে সে ও হারুন নিফাতকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী তাকে অপহরণ করে রফিকুলের বাসায় আটকে রাখে এবং ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এক পর্যায়ে নিফাত চিত্কার করতে থাকায় জানাজানির ভয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। রফিকুল প্রথমে ভিকটিমকে মাটিতে ফেলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ধরে এবং তার মা রেজিনাসহ অন্যরা শরীরের উপর বসে গলা টিপে শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।