ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইস্টিটিউটের অধ্যাপক তাহমিনা আখতার এক প্রতিবাদলিপিতে জানিয়েছেন: দৈনিক ইত্তেফাকে গত ২৭/১২/২০১৮ তারিখে প্রকাশিত ‘‘জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পরিচালক নিয়োগের দাবি শিক্ষকদের— ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট” শিরোনামে সংবাদটিতে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। আর্থিক অস্বচ্ছতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারজনিত কারণে পরিচালক হতে পারিনি এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বিরুদ্ধে এরকম কোনো অভিযোগ নেই। কুয়েত মৈত্রী হলের বর্ধিত ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত একটি কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং ভবনটির বাথরুমের দেয়ালে যে ফাটল ধরেছে তা আমার প্রভোস্টের দায়িত্বকালীন সময়ের নয়। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে ভবনের শুধু তিন তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। বুয়েট ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ নয় বলে রিপোর্ট দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্কালীন প্রশাসন ১৯৭৩ সালের আদেশ লংঘন করে আমাকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ না দেয়ার হীন উদ্দেশ্যে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান করে এবং পরবর্তীতে সিন্ডিকেট সভায় ছুটি প্রত্যাহার করে। বর্তমানে আমি নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে সকল দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গঠন করা তত্কালীন তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্ট এবং বর্তমান উপাচার্য বরাবর একজন অধ্যাপকের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবাদকারী শিক্ষককে প্রতিবেদন তৈরির সময় তার মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।