আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার পেছনে তারেক রহমানের হাত রয়েছে। দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নাশকতার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সংঘবদ্ধভাবে গেরিলা কায়দায় ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকি দিয়েছেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট উত্সবকে বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারেক রহমান।’ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ব্যাপক সহিংসতা ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে নির্বাচনের আগে চক্রান্ত চালাচ্ছে। ভুয়া ব্যালট পেপার ছাপিয়ে ও নকল বুথ বানিয়ে সিল মারা নকল ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর নীল নকশা করছে।’ পর্যবেক্ষক হিসেবে বিএনপি-জামায়াতের হাজার হাজার ক্যাডার নামানো হচ্ছে এমন অভিযোগ করে নানক বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্ট একাধিক সংগঠনকে পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মীকে পর্যবেক্ষক হিসেবে মাঠে নামানো হচ্ছে।’
সারা দেশে নৌকার প্রার্থীদের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে নানক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা ছয়জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। তাদের হামলায় ৪৪৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। সেনাবাহিনীকে নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নানক বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট নেতারা আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে লাগাতার মিথ্যাচার চালাচ্ছে।