নারায়ণগঞ্জে চালু হচ্ছে করোনা চিকিত্সার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল

নারায়ণগঞ্জের করোনা আক্রান্তদের জন্য শহরের খানপুরের ৩০০ শয্যা হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে সেটিকে প্রস্তুত করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এটি আইসোলেট করে কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের প্রধান চিকিত্সা তত্ত্বাবধায়ক ও উপপরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. গৌতম রায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গৌতম রায়। মূলত আইসোলেশন হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে সংক্রামক রোগের রোগীদের জন্য আলাদা একটি ওয়ার্ডকে বোঝায়। সেখানে তাকে আলাদাভাবে রেখে চিকিত্সাসেবা প্রদান করা হবে। গৌতম রায় জানান, হাসপাতালে এরই মধ্যে ঢাকা থেকে বিশেষ টিম এসেছিল, তারা পুরো প্ল্যান করে দিয়ে গেছে। সে অনুযায়ী অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুতই কাজ চলছে। এখানে ১০টি আইসিইউর সঙ্গে ভেন্টিলেশন সম্পন্ন শয্যা এবং ৪০টি আলাদা শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আসলে আইসোলেটেড হাসপাতাল করতে অনেকগুলো কাজ করতে হয়। এখানে তো একটি সাজানো বেড (শয্যা) অন্য স্থানে সরালেই হবে না, পুরো ভবনটিতেই কাজ করতে হচ্ছে। নতুনভাবে সবকিছু স্থাপন করতে হচ্ছে। অনেক সময়ের ব্যাপার হলেও এখন সংশ্লিষ্ট সবগুলো প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করায় দ্রুত করতে পারছি। তিনি বলেন, আমরা আক্রান্ত হচ্ছি, আমি নিজেও করোনা পজিটিভ হয়েছি আজ। তবে আমাদের কার্যক্রমে একটুও ভাটা নেই। নতুন টিম, বিকল্প টিম সব মিলিয়ে আমরা পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছি। সীমিত পরিসরে এখানে সেবাও দিচ্ছি সম্ভাব্য করোনা আক্রান্তদের। আগামী ১৫ দিনের মতো সময় লাগবে বলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ করার কর্মকর্তারা বলছেন। তবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব সেটি করতে চেষ্টা করছি। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আশপাশের সব কিছু জীবাণুমুক্ত রাখতেই বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।