ফেনীতে ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামি ওবায়দুল হক ভূঁঞা টুটুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুব জ্যোতি পাল-এর আদালতে হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন। এর আগে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত শুরু হলে হত্যাকারী টুটুল ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আগে থেকে তাদের পারিবারিক কলহ চলছে বলে জানান।
বুধবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেন বারাহীপুর ভূঁঞা বাড়ির টুটুল। হত্যার পর জরুরি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে নিজেই খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত দা ও ফেসবুকে লাইভ দেওয়া মোবাইল জব্দ করা হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত তাহমিনার বাবা বাদী হয়ে টুটুলকে আসামি করে রাতে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। অ্যাডভোকেট এম. শাহজাহান সাজু বলেন, টুটুলকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি তার স্ত্রীকে পারিবারিক কলহের জের ধরে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে জবানবন্দি দিয়েছেন। খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করব। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।