হিমন এওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
সুপ্রিয় বন্ধুরা, ঘরে বসে তোমরা পুরো অধ্যায়টি পড়বে, নিজেরা প্রশ্ন তৈরি করবে ও সাথে সাথে উত্তরগুলোও বই দেখে লিখে নিবে। তাহলে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন শূন্যস্থান পূরণ, ডান-বাম মিলকরণ, কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন সবকিছুরই উত্তর দিতে তোমাদের কোনো সমস্যা হবে না।
শক্তি কী? শক্তির অপচয় ঘটে এমন পাঁচটি উদাহরণ খাতায় লেখ।
উত্তর : কোনো কিছুর করার সামর্থ্যই হলো শক্তি। শক্তির অপচয় ঘটে এমন পাঁচটি উদাহরণ নিম্নরূপ—
১.অযথা অধিক আলোক সজ্জা করা।
২.দিয়াশলাই কাঠি বাঁচানোর জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখা।
৩.ট্রাফিক সিগন্যালে যানবাহনের ইঞ্জিন বন্ধ না রাখা।
৪.অযথা ঘরে বাতি, ফ্যান, ইত্যাদি জ্বালিয়ে রাখা।
৫.ত্রুটিযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করা।
জেমি তার গৃহস্থালি কাজে বিভিন্ন শক্তির ব্যবহার করে। এই শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তন হওয়াকে কী বলে? এর চারটি পরিবর্তিত রূপ দেখাও।
উত্তর : শক্তির এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তন হলো শক্তির রূপান্তর।
শক্তির চারটি পরিবর্তিত রূপ নিম্নরূপ—
১.সৌর প্যানেল সৌরশক্তিকে বিদ্যুত্ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
২. টেলিভিশন চালালে বিদ্যুত্ শক্তি আলোক, তাপ, শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৩. কাঠ, কয়লা পোড়ালে তাপশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৪. উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির ক্ষেত্রে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ভাতের হাঁড়ি চাল ও পানিসহ জ্বলন্ত চুলায় বসালে কিছুক্ষণ পর হাঁড়ির উপরের পানি গরম হয়। এরূপ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ভাতের হাঁড়ির নিচ থেকে উপরে তাপ সঞ্চালিত হওয়ার কারণেই উপরের পানি গরম হয়।
ভাতের হাঁড়ি কঠিন পদার্থের তৈরি। তাই জ্বলন্ত চুলায় বসালে হাঁড়ির ধাতব পদার্থ পরিবহন প্রক্রিয়ায় উত্তপ্ত হয়। পরবর্তীতে উত্তপ্ত হাঁড়ি থেকে তাপ পরিচলন প্রক্রিয়ায় সঞ্চালিত হয়ে হাঁড়ির পানিকে উত্তপ্ত করে। হাঁড়ির সংস্পর্শে থাকা পানির অণুগুলো প্রথমে উত্তপ্ত হয়ে হাঁড়ির উপরে চলে যায় এবং উপরের ঠাণ্ডা অণুগুলো হাঁড়ির নিচে চলে আসে। এভাবে সমগ্র হাঁড়ির পানিই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাই কিছুক্ষণ পর ভাতের হাঁড়ির উপরের পানি গরম হয়।
তোমার মা রান্না শেষে চুলা বন্ধ করে দেয়। এতে তিনি কোন শক্তি সংরক্ষণ করতে পারেন? এভাবে তুমি শক্তি সংরক্ষণের ৪টি উপায় লিখ।
উত্তর : গ্যাসের চুলা বন্ধ করে অনবায়নযোগ্য শক্তি সংরক্ষণ করা যায়।
শক্তি সংরক্ষণের ৪টি উপায় হলো—
১.ব্যবহারের পর বৈদ্যুতিক বাতি এবং যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা।
২.প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় রেফ্রিজারেটর খোলা না রাখা।
৩.বাড়িতে ছায়ার ব্যবস্থা করার জন্য গাছ লাগানো।
৪.বাতি না জ্বালিয়ে পর্দা সরিয়ে দিনের আলো ব্যবহার করা।