একজন অন্ধ ব্যক্তি যিনি চোখে দেখেন না তাঁকে রাস্তা পার হওয়ার সময় আমরা একটু হাতটা ধরে এগিয়ে দিতে পারি। একজন মানুষ যিনি অভুক্ত অবস্থায় আছে, তাকে আমরা একটু খাবারের ব্যবস্থা করে দিতে পারি। পথশিশু যারা পড়ালেখার সুযোগ পায় না, তাদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিতে পারি আমরা। একজন আঘাত পাওয়া ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে হাসপাতালে পাঠাতে পারি। একজন ভূমিহীন মানুষকে সরকারের খাস জমিতে আবাসনের ব্যবস্থা করে দিতে পারি। একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে আমরা রক্ত দিতে পারি। এভাবে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ালে বেঁচে থাকাটা অর্থপূর্ণ হয়ে উঠবে।
‘লেডি উইথ দ্য ল্যামপ’ খ্যাত ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল সারা রাত জেগে অসুস্থ রোগীদের সেবা-শুশ্রূষা করে পরবর্তী সময়ে নিজেই ভয়াবহ রোগে অসুস্থ হয়ে মারা যান, যেটি মানবতার চূড়ান্ত উদাহরণ হয়ে আছে। মেসিডোনিয়ার স্কোপজে শহরের মাদার তেরেসা ভারতীয় উপমহাদেশে এসে মানুষের সেবা করে মানবিকতার ইতিহাস রচনা করে গেছেন। হাজী মুহম্মদ মহসীন তাঁর সমস্ত সমপদ এমনকি তাঁকে উপহার দেওয়া তাঁর বোনের সমপত্তিও তিনি বিক্রি করে অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান করোনা আক্রান্ত পরিবেশে আসুন, আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষকে সহযোগিতা করি এবং নতুন এক বিশ্ব গড়ে তুলি।
মো. ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়