লকডাউন ভেঙে শনিবার ঢাকা থেকে একটি ট্রেন যাত্রী নিয়ে সিলেট রেল স্টেশনে আসার ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসন দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ সুপারিশ করে।
জানা যায়, ঐ ট্রেনটির দুইটি বগিতে যাত্রী ছিল ৫৪ জন। এর মধ্যে ২৩ জনের হিসাব রেলওয়ের সিলেট স্টেশন কর্তৃপক্ষ দিতে পারলেও অন্যদের হিসাব দিতে পারেনি। সিলেট জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদুল হক শনিবার রাতে সিসিটিভির ফুটেজ অনুসন্ধান চালিয়ে এসব তথ্য পান। এদিকে সিলেট আসা ঐ ট্রেনটি আবার গতকাল সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ২৪ জন স্টাফ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যায়। সিলেট স্টেশনের ম্যানেজার খলিলুর রহমান জানান, ‘ঢাকার পথে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটি আখাউড়া ছাড়া আর কোথাও দাঁড়াবে না। যাত্রীও ওঠানামা করতে পারবে না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ এদিকে শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সিলেটে আসা দুই বগির ঐ ট্রেন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে। পরে জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ মিয়া (এনডিসি) রেলওয়ে স্টেশনে যান। সেখানে স্টেশন ম্যানেজার খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি যাত্রী সম্পর্কে একেক সময় একেক তথ্য দিলে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ মিয়া (এনডিসি) জানান, ‘সিলেট আসা ঐ ট্রেনে রেলওয়ের স্টাফ ছিলেন ২৩ জন। ৩১ জন সাধারণ যাত্রী ছিলেন।’ তবে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার খলিলুর রহমান জানান, ‘কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য রেলওয়ে বিভাগের অনুমতি নিয়ে ঢাকা থেকে ২৩ জন স্টাফসহ ৫৪ জন যাত্রী ঐ ট্রেনে সিলেটে আসেন। সবাই ট্রেনের কর্মকর্তা-কর্মচারী। তিনি বলেন, এতে বাইরের কোনো যাত্রী ছিলেন না।’