উত্তরবঙ্গ এখন বোরো ধানের রাজধানী। রবি শস্যের চাষ হওয়ায় উত্তরবঙ্গে হাওড় অঞ্চলের মতো আগাম ধান ঘরে আসে না। আশা অনুযায়ী জৈষ্ঠ্যের প্রথমেই শুরু হবে কৃষকের এই মৌসুমের নবান্ন! কিন্তু বিধি বাম! এই অঞ্চলের বেশিভাগ ক্ষেতমজুর শ্রমিক আসে রংপুর অঞ্চল থেকে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ট্রেন-বাসসহ গণপরিবহন আপাতত বন্ধ; তাছাড়া মানুষও এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যেতে নিরুত্সাহিত হচ্ছে। বোরো ধান পাকা শুরু হলে, আর তখন খেতমজুররা যদি না আসতে পারে, তাহলে কিভাবে ফসল ঘরে তুলবে—তা নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সরকার যদি ধান কাটার জন্য খেতমজুরদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করে দেয়, তবু করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তীব্রতার মাঝে গ্রামে বাইরের এলাকার লোক খুব বেশি স্বস্তির হবে না কৃষকসমাজের জন্য। এতে করে খেতমজুরদের জীবনের ঝুঁকিও বাড়বে বৈ কমবে না। তাই সংকট ঘনীভূত হওয়ার আগেই সরকারের উচিত ধান কাটার পর্যাপ্ত অত্যাধুনিক যন্ত্র প্রস্তুত রাখা। এবং তা বিনা শর্তেই কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
আকন্দ মোহাম্মদ শাকিল হোসেন
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়