হোমনায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া নুসরাত আক্তার (তথৈ) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল না। গতকাল মঙ্গলবার তার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুস সালাম সিকদার।
জানা যায়, উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে করোনা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে গত শুক্রবার ভোরে মারা যায় তথৈ। শিশুটি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে—এ ভয়ে স্থানীয় লোকজনের কেহই তার জানাজা ও দাফন-কাফনে এগিয়ে আসেনি। লাশ বহনের জন্য মসজিদের খাটিয়াটিও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ইউএনও তাপ্তি চাকমা উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা ইমাম সমিতির মাধ্যমে করোনা রোগির মতোই শিশুটির মৃতদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ উপজেলার সর্বত্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শিশু তথৈর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তথৈ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মায়ারামপুর গ্রামের মো. সুমন মিয়ার মেয়ে। তার মা গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসবের জন্য ২০/২৫ দিন আগে হোমনা উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে বাপের বাড়িতে আসেন তিনি। সাথে করে নিয়ে আসেন আদরের মেয়ে তথৈকে; কিন্তু কে জানত শিশু তথৈর এমন করুণ পরিণতি ঘটবে?