কৃষি নির্ভরশীল গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-১ আসনে প্রার্থী রয়েছে চারজন। প্রার্থীরা হচ্ছেন: আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী, বিএনপির ব্যারিস্টার আমিনুল হক, ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মান্নান, বাসদের আলফাজ হোসেন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিটি কেন্দ্রকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ টহল দিচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র হিসাবে পরিচিত রাজশাহী-১ আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট চান। এছাড়াও গণসংযোগ, উঠান বৈঠক,পথসভা, জনসভা করে নৌকার পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে। প্রথমদিকে বিএনপি’র প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল গণসংযোগ করলেও শেষের দিকে প্রচার-প্রচারণা সীমিত আকারে করেছে। গত বৃহস্পতিবার ব্যারিস্টার আমিনুল হক মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইছেন। অন্য দুই প্রার্থী ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মান্নান, বাসদের আলফাজ হোসেন, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে প্রচারণা চালিয়েছে। রাজশাহীর গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে ভোটাররা জয়-পরাজয় নিয়ে হিসাব-নিকাশ করলেও মূলত লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে। তবে এ আসনটিতে আদিবাসী ও জামায়াতের ভোট ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও আদিবাসীদের একটি বড় অংশ ভোটার নৌকার পক্ষে ও জামায়াতের ভোটাররা ধানের শীষের পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা জানান। তবে অধিকাংশ আদিবাসীরা নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করলেও ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা থেকে বিরত ছিল বিএনপির অন্যতম শরিক জামায়াত।