করোনায় ঘরবন্দি মানুষের জীবন। বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনও ঘরবন্দি। প্রায় মাস পেরিয়ে গেছে গুলশান বারিধারার ভাড়া বাসায় নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন। এতোটা অবসর সময় কখনোই পাননি। ১৯৮৪ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া এই সাবেক তারকা স্ট্রাইকার পরে ক্লাব কোচিং, জাতীয় দলের কোচও হয়েছিলেন। কিন্তু তার এই দীর্ঘ জীবনে ঘরবন্দি জীবন কাটাননি কখনো। সালাহউদ্দিন ঘরের মধ্যে থাকলেও বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন। গতকাল বিকালে ফোনে জানান বই এখন তার সঙ্গী। বললেন, ‘একসময় প্রচুর বই পড়তাম। এই ভালো অভ্যাসটা বন্ধ ছিল। অনেক দিন বই পড়া হয় না। এখন বাসায় বই পড়ছি।’ কার লেখা বই পড়ছেন? সালাহউদ্দিন বললেন, ‘তুমি চিনবে না। দর্শন, ইতিহাসের বই পড়া হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক বই পড়া হয়ে গেছে। বই শেষ হলেই আমার মেয়ে সারাজিনকে বই আনতে বলি।’ ২০-৩০টা বই শেষের পথে। আর কীভাবে সময় কাটে? করোনা নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই ফুটবলার। সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি একটা কথা বলতে চাই। করোনা আক্রান্তদের জন্য যেসব ডাক্তার, নার্স, অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতাল ওয়ার্কার যারাই কাজ করছেন তারা সবাই দেশের হিরো। তারাই হিরো অব দ্য ওয়ার্ল্ড। তাদের প্রতি শুধু আমিই নই আমরা দেশের সবাই কৃতজ্ঞ।’
ঘরে বসে সময় কাটানোর মতো এতো বেশি সময় কখনো পাবেন সেটা ভাবেননি সালাহউদ্দিন। বলছিলেন, জীবনেও ভাবিনি এতো অবসর সময় পাব। আমি কেন পৃথিবীর কোনো মানুষই এটা ভাবেনি। কিন্তু আজ এমনটা সময় এসেছে সবাইকে ঘরে থাকতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ঘরে বসে ফেডারেশনের বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে কথা হয় ফোনে। আর নিজের ব্যবসা-বাণিজ্যতো আকাশে উঠেছে।’ টিভির পর্দায় দেখছেন বাইরে মানুষের ঘোরাফেরা। এটা নিয়ে বাফুফে সভাপতি বললেন, ‘আমার একটা ম্যাসেজ আছে আপনারা পরিষ্কার থাকুন। আইসোলেশনে থাকুন।’