বিভিন্ন স্থানে ধান কাটতে পাঠানো হচ্ছে শ্রমিক

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ধান কর্তন ও মাড়াইয়ের জন্য মোরেলগঞ্জ থেকে শুক্রবার ৭০ জন কৃষি শ্রমিক বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে দুই দফায় দুই শতাধিক শ্রমিক পাঠানো হলো। করোনার ঝুঁকি এড়াতে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নদী পথে ট্রলারযোগে এদেরকে মোরেলগঞ্জ ফেরিঘাট থেকে পাঠানো হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম আজিজুল ইসলাম জানান, বাগেরহাট এখনো করোনা মুক্ত। তারপরও এসব কৃষি শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছে। এরা আবার ফিরে এলে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি মৌসুমে ধান কাটা যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য উপজেলা কৃষি দপ্তরের তালিকাভুক্ত কৃষক পাঠানো হচ্ছে।

কুমিল্লা ও চাঁদপুরে গেলেন নাগেশ্বরীর ৩৬ শ্রমিক

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, বিশেষ ব্যবস্থায় কুমিল্লা ও চাঁদপুরে গেলেন নাগেশ্বরীর ৩৬ জন কৃষি শ্রমিক। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সরকারি তত্ত্বাবধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বাসে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের কিছু জেলায় খেতে বোরো ধান পাকলেও শ্রমিকের অভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষক। অপরদিকে সাধারণ ছুটিতে বাড়ির বাইরে বের হতে না পারায় উপজেলার অনেক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বছরের এ সময় প্রত্যেকবার তারাই কৃষি শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন জেলায় যান। সেখানে বোরো ধান কাটা-মাড়াই শেষে এলাকায় ফিরে ফসল ঘরে তুলতে মাঠে কাজ করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে উপজেলা প্রশাসন, কৃষি অফিস ও নাগেশ্বরী থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাঠানো হয়েছে। 

নীলফামারী থেকে শ্রমিকরা গেলেন বিভিন্ন স্থানে

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, নীলফামারীর সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার থানা পুলিশের সহায়তায় মোট ৩১৯ জন কৃষি শ্রমিককে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে গত ২১ এপ্রিল পাঠানো হয় ১৭৭ জনকে এবং দ্বিতীয় দফায় গত বৃহস্পতিবার আরো ১৪২ জনকে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহম্মদ মোখলেছুর রহমান (বিপিএম, পিপিএম) জানান, দেশের যেসব অঞ্চলে বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়েছে সে সকল স্থানে ধাপে ধাপে ধানকাটা শ্রমিক পাঠানো হচ্ছে।