পিপিই পাওয়া হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশের দাবি আর্টিকেল নাইনটিনের

করোনা রোগীদের চিকিত্সার শুরু থেকে চিকিত্সকসহ প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মীদের অনেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) না পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। এই প্রেক্ষিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার স্বার্থে কোন প্রতিষ্ঠানে কতসংখ্যক পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে সেই তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন। একই সঙ্গে পিপিইর সংকটসহ করোনা ব্যবস্থাপনার ত্রুটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের নেওয়া নিবর্তনমূলক পদক্ষেপের বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মত প্রকাশ ও তথ্যের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করা এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

গতকাল সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনার মতো বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় সম্মুখসারিতে আছেন চিকিত্সক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী। করোনার সংক্রমণ এড়িয়ে রোগীদের যথাযথ চিকিত্সা নিশ্চিত করতে এসব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক সুরক্ষা উপকরণ তথা পিপিই অত্যাবশ্যক। তাই পিপিই বিতরণের ক্ষেত্রে এর যথাযথ মান ও বিতরণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ১০ লাখেরও বেশি পিপিই বিতরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে। অধিদপ্তরের তথ্য মতে, সারাদেশে সরকারি চিকিত্সক-নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী আছেন ৮২ হাজার ৫১ জন। এ হিসেবে এক জনের গড়ে অন্তত ১২টি পিপিই পাওয়ার কথা।

আর্টিকেল নাইনটিন লক্ষ্য করেছে, এই বিপুল পরিমাণ পিপিই বিতরণের সরকারি তথ্যের বিপরীতে দেশ জুড়ে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী উদ্বেগের সঙ্গে জানিয়েছেন, কোনো পিপিই তারা পাননি। যারা পেয়েছেন, তারাও পিপিইর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।