সরকারের একলা চলো নীতিতে জনগণ প্রচণ্ড ঝুঁকিতে -------------ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য যে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা ছিল, সেই উদ্যোগ নিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এক কথায় তারা করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সেই একলা চলো নীতি, তাদের সেই একদলীয় শাসনব্যবস্থার যে নীতি, সেই নীতির কারণেই জনগণ প্রচণ্ড রকমের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঈদ উপহার   দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। আমরা প্রথম থেকে লক্ষ্য করেছি যে, তাদের মধ্যে প্রচণ্ড রকমের উদাসীনতা ছিল, অবহেলা ছিল। যেটা রিজভী সাহেব বলেছেন যে, তারা অন্য কাজে ব্যস্ত ছিল।

ফখরুল ইসলাম বলেন, আজকে করোনা ভাইরাসে প্রমাণিত হয়েছে যে, তাদের যে শাসনব্যবস্থা সেটা কতটা ভঙ্গুর। স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে গেছে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা আছে বলে মনেই হয় না। তিনি বলেন, আমরা করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য লিফলেট বিলি করেছি, মাস্ক বিতরণ করেছি। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাব চিকিত্সক-স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই দিয়েছে, হটলাইন চালু করেছে রোগীর পরামর্শ দেওয়ার জন্য। আমরা ৮৭ হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম এটা বিবেচনা করা হোক। বিরোধী দল হিসেবে ১২/১৩ বছর তাদের নির্যাতনের পরেও আমরা যে কাজটুকু করেছি আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি যে, আমরা তাদের দল থেকে অনেক বেশি কাজ করেছি। ইতিমধ্যে আমরা ৭ লাখ পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি আমাদের সীমিত শক্তির মধ্য দিয়ে। ব্যারিস্টার মীর হেলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন নসু, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ইশরাক হোসেন, আমিনুল ইসলাম, ইয়াসীন আলী, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, নাজমুল হাসান, প্রেস উইংয়ের শায়রুল কবির খান, আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।