একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছে। র্যাব, পুলিশ, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে আজ ভোটের দিনও দায়িত্ব পালন করবেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। যদি কোন স্থানে যেকোন ধরনের নাশকতা হয় আর সেখানে যদি র্যাব, পুলিশ ও বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত না থাকেন, ওই সময় ঘটনাস্থলে শুধু সেনাবাহিনীই যদি উপস্থিত থাকে তাহলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সেনাবাহিনী সদস্যরা। সেনাবাহিনী এদেশের নাগরিক। নির্বাচনের সময় দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়াও সেনাবাহিনীর দায়িত্ব।
এবার জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে কেউ কেউ নানাভাবে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। বিশেষ করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বেশি প্রোপাগান্ডা চলছে। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আজ কেউ প্রোপাগান্ডা চালালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র্যাব, পুলিশ, বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও প্রোপাগান্ডা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। গতকাল প্রোপাগান্ডা চালানোর দায়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়নোর অভিযোগে তাদের আটক করেছে র্যাব-২। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে গতকাল শনিবার ভোর পর্যন্ত রাজধানীর মগবাজার ও মৌচাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব, পুলিশ, বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সেনবাহিনী সারাদেশ নিরাপত্তার নেটওয়ার্কে রয়েছে। এই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাও নিবীড়ভাবে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এই নেটওয়ার্ক ভেদ করে কেউ ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারবে না বলে শীর্ষ কর্মকর্তা জানান। তারপরও সতর্ক থাকছে সবাই। ভীতি ও সন্ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা রুখতে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।