পুলিশ প্রধান ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি, কালোবাজারি ও মজুতদারী রোধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। পণ্যবাহী ট্রাক বা বাহনগুলো পণ্য পৌঁছে দিয়ে ফেরার সময় যেনো কোনো পর্যায়েই হয়রানির শিকার না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশের চলমান কার্যক্রম ও স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রসঙ্গে নিয়মিত দিকনির্দেশনার অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার পুলিশ সদর দপ্তর হতে ভিডিও কনফারেন্সে সব পুলিশ ইউনিটের কমান্ডারগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি করোনার বিস্তার রোধে লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন।
আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সুচিকিত্সা প্রদানের সব আয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ পুলিশের অন্যান্য হাসপাতালে করোনাসংক্রান্ত চিকিত্সার সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়েও নেওয়া হয়েছে সুচিকিত্সার ব্যবস্থা।
বেনজীর আহমেদ বলেন, করোনায় আক্রান্ত পুলিশের যে কোনো সদস্যের সুচিকিত্সাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যাপ্ত আয়োজন রাখা হয়েছে। দায়িত্বপালনরত সব পুলিশ সদস্যের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সুরক্ষাসামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা বিভিন্ন ইউনিটেও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন আইজিপি।
কোনো অবস্থায় ট্রাকে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না
বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি এস এম বখতিয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম আলী খান গতকাল এক বিবৃতিতে পণ্যবাহী যানবাহনে (ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান) যাত্রী বহন না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে নির্দেশনা অমান্য করে কেউ যাত্রী বহন করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানান।