বিবিসির বিশ্লেষণ
করোনা ভাইরাসের মরণছোবল রুখতে বিজ্ঞানীরা এখন প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে প্রতিষেধক আবিষ্কারেরও নানা তথ্য বেরিয়ে আসছে। এরই মধ্যে অর্ধডজন ভারতীয় প্রতিষ্ঠান করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাদের মধ্যে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার নাম উল্লেখযোগ্য। এটি বিশ্বের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরিতে একটি বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান। প্রতি বছর দেড় লাখ বিলিয়ন ডোজ তারা তৈরি করে। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পুনে থেকে এগুলো উত্পাদিত হয়। নেদারল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রেও তাদের দুটো প্ল্যান্ট রয়েছে। এখন তারা আমেরিকার বায়োটেক কোম্পানি কোডাজেনিক্সের সঙ্গে জীবনরক্ষাকারী ভ্যাকসিন তৈরিতে এক হয়ে কাজ করছে।
সিরামের কর্ণধার আদার পুনওয়ালা বলেন, ‘আমরা চলতি মাসেই এই ভ্যাকসিনটি ইঁদুর ও প্রাইমেটদের (স্তন্যপায়ী প্রাণী) ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করব। আর সামনের সেপ্টেম্বরে তা মানবদেহে ট্রায়ালভিত্তিতে প্রয়োগ করব।’ এ ব্যাপারে অক্সফোর্ডের জেনার ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর অ্যাড্রিয়ান হিল বলেন, এটা পরিষ্কার যে, বিশ্বকে এই মহামারি থেকে বাঁচাতে বছরের শেষ নাগাদ কয়েক মিলিয়ন ডোজের প্রয়োজন। আর তার বড়ো অংশের চাহিদারই পূরণ করতে পারে আদার পুনওয়ালার প্রতিষ্ঠানটি। আর এসব কারণে এটা মনে করা হচ্ছে যে , করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারত প্রধান ভূমিকা পালনকারী দেশ হিসাবে পরিণত হতে পারে।