মনিরুজ্জামান, ভোলা প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতিতে তীব্র শ্রমিক সংকটের মধ্যেই গত কয়েকদিনের শিলাবৃষ্টি আর কালবৈশাখী ঝড়ে মাঠের রবিশষ্য প্লাবিত হয়েছে। শনিবার রাতে আর রবিবার প্রায় দিনব্যাপী শিলাবৃষ্টি ও ঝড় বাতাস হয়। কৃষকদের দাবি, বৃষ্টিতে ধান, গম, ভুট্টা, মুগ, চিনাবাদাম এবং মরিচের খেত তলিয়ে গেছে। ফলে চলতি মৌসুমের রোপিত রবিশষ্যের ব্যাপক ক্ষতি হবে। বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় এ বছর রবিশষ্যের মধ্যে মুগ ২ হাজার ৫০০ হেক্টর, ফেলন ৮৮০ হেক্টর, শাকসবজি ৮৩০ হেক্টর, চিনাবাদাম ৮০০ হেক্টর, ভুট্টা ৭২০ হেক্টর আবাদ হয়েছে। অন্যদিকে, বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ১৩৭ হেক্টর। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ১৭৬ হেক্টর জমি। কুতুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুস আসহান জুবায়েদ, কাচিয়া ইউনিয়নের আব্দুর রব কাজি, সাচড়া ইউনিয়নের মহিবুল্যাহ মৃধা বলেন, তাদের ইউনিয়নের শতভাগ রবিশষ্য পানির নিচে প্লাবিত। ধানের ও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। অন্যদিকে বড় মানিকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দার, পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাগর হাওলাদার জানান, তাদের ১২ আনা ফসলই পানির নিচে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ওমর ফারুক জানান, যদি বৃষ্টি আর না হয়, তবে রবিশষ্যের তেমন ক্ষতি হবে না। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ার আশঙ্কা করেন তিনি।