ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সাইন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইডিএসএইচআই)-এ করা হচ্ছে করোনা শনাক্তকরণ। রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির দুটি শাখাই এখন কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের কাজে ব্যস্ত।
গত ২৫ মার্চ আইইডিসিআর-এর পাঠানো নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা শনাক্তকরণের কাজ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। আর এপ্রিলের শুরু থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা শনাক্তকরণ কার্যক্রম শুরু করে আইডিএসএইচআই।
এখন ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে নমুনা আসছে পরীক্ষার জন্য।
আইডিএসএইচআই-এর প্রতিষ্ঠাতা দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসা বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ইত্তেফাককে জানান, এ পর্যন্ত তারা ২ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা করেছেন। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, দেশে ৬০এর নীচে থাকা তরুণ, কিশোর বা শিশু; সব বয়সের মানুষ করোনা ঝুঁকিতে আছে। তাই অন্য দেশের চেয়ে আমাদের প্রেক্ষাপট একটু আলাদা। অন্যান্য দেশে ৬০ ঊর্ধ্ব মানুষ বেশি করোনা ঝুঁকিতে। তবে আমরা আশাবাদী, এ সংকট নিশ্চয়ই কাটিয়ে উঠবো।
২০১৩ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমীর বার্ষিক সি. এন.রাও পুরস্কার পান তিনি। ২০১৪ সালে দেশের বিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণাকে উৎসাহিত করতে পুরস্কারের টাকা ও নিজের সঞ্চয় থেকে প্রতিষ্ঠা করেন ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সাইন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ আইডিএসএইচআই। এখানে নিউমোনিয়া, শিশুর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা ও জিনগত সমস্যার জন্য শিশু যে ত্রুটি নিয়ে জন্মায়- এ সকল বিষয় গবেষণা করা হয় এবং কিভাবে গবেষণা করতে হয় সে বিষয়েও ট্রেনিং দেয়া হয়।
বর্তমানে শুধু কোভিট-১৯ নিয়ে ব্যস্ত আইডিএসএইচআই। তবে ভবিষ্যতে নিজস্ব একটি ক্যাম্পাসে রোগ নির্ণয় ও রোগ সম্পর্কিত মানসম্পন্ন গবেষণা করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে ফেরদৌসী কাদরীর।
ইত্তেফাক/আরএ