সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
নীলফামারী জেলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসযোগে ধান কাটা শ্রমিক পাঠানো অব্যাহত রেখেছে জেলা পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ পর্যন্ত নীলফামারী পুলিশের সহায়তায় ষষ্ঠ ধাপে মোট ২ হাজার ৪৯ জন শ্রমিক পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুমের প্রধান (ডিআইও-ওয়ান) লাইসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য ১ হাজার ৫৪ জন শ্রমিক পাঠানো হয়েছে। ধানকাটা শ্রমিকদের বাস ও মাইক্রোযোগে পুলিশের সহায়তায় ঢাকা জেলা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, ভোলা, মানিকগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও গাইবান্ধা জেলায় পাঠানো হয়েছে। তারা সকলে নিরাপদে ধান কাটা শুরু করেছে। এদিকে সোমবার সৈয়দপুর থেকে ৪০ জনের একটি ধান কাটার শ্রমিক দল গেল সান্তাহারে। উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন জানান, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া তাদের সঙ্গে শুকনো খাবার, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছে।
খানসামার ৮৩৩ শ্রমিক গেলেন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর জানান, গত এক সপ্তাহে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা থেকে ৮৩৩ জন শ্রমিক ধান কাটতে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে প্রেরণ করেছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আফজাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নাটোরের সিংড়া, নওগাঁর রাণীনগর, বগুড়ার আদমদীঘি ও কাহালু, টাঙ্গাইলের সখিপুর, যশোহর, শেরপুরের ধুনট, সান্তাহার ও সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তাদের প্রত্যয়ন দিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম বলেন, খানসামা উপজেলা থেকে এ যাবত্ ৮৩৩ জন শ্রমিককে পাঠানো হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরো শ্রমিক পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নওগাঁয় গেলেন শিবগঞ্জের ১০০ শ্রমিক
শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, চলতি মৌসুমে ধান কাটার জন্য মঙ্গলবার ১০০ শ্রমিক শিবগঞ্জ হতে নওগাঁ পাঠানো হয়েছে। শিবগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও শিবগঞ্জ থানার উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় বাস ও ট্রাকযোগে তাদের নওগাঁ পাঠানো হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল প্রতিটি শ্রমিকের হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গামছা ও মাস্ক তুলে দেন।