জাহাজ থেকে খালাস হওয়ার পর আদা, রসুন, পেঁয়াজ ভর্তি আমদানিকৃত যেসব কনটেইনার বন্দর ইয়ার্ড-শেড-জেটিতে ৩০ দিনের বেশি পড়ে রয়েছে সেগুলোকে যথানিয়মে নিলামে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। এ জন্য চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজকে বন্দর কর্তৃপক্ষ চিঠিও প্রদান করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক ইত্তেফাককে বলেন, ‘এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। কিন্তু সম্প্রতি নানা কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে আমদানি পণ্য ভর্তি কনটেইনার ডেলিভারির শ্লথগতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে কনটেইনার জট।
আমদানিকারকদের ইতিমধ্যে তাদের পণ্য যথাসময়ে ডেলিভারি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড সমূহকে জটমুক্ত করার অনুরোধ করা হয়েছে। আর অন্যদিকে বন্দরে খালাস হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে কোনো পণ্য ডেলিভারি না নিলে সেগুলো নিলামে তোলা বন্দরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।’
চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল সূত্র জানায়, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে পচনশীল পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ফল ইত্যাদি আমদানি হয়ে থাকে। বন্দরে এ ধরনের কনটেইনার নামার পর থেকে বিদ্যুত্ সংযোগ দিয়ে রাখতে হয়। দীর্ঘদিন যদি এগুলো ডেলিভারি না হয় তাহলে বন্দরের বিদ্যুত্ অপচয় হয়, পণ্যও পচে যায়, শিপিং এজেন্টের কনটেইনারও আটকে থাকে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এক কনটেইনার আদা, দুই কনটেইনার রসুন, ৯ কনটেইনার পেঁয়াজ নিলামে তুলতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজকে চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের জেটিতে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ৯টি কনটেইনার জাহাজে হ্যান্ডলিং হচ্ছিল। বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ ছিল ২৯টি কনটেইনারবাহী জাহাজ। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেলিভারি হয়েছে ২ হাজার ৭৫৩টি কনটেইনার।