স্পোর্টস রিপোর্টার
তিন বিদেশি ফুটবলার ঢাকায় এসে সাইফ স্পোর্টিংয় ক্লাবে ট্রায়াল দিয়েছিল। কিন্তু তাদের পছন্দ হয়নি ক্লাবটির। এর পরও ঐ বিদেশিরা দেশে ফিরে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে অভিযোগ করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
ফুটবলার তিন জন ফিফার কাছে অভিযোগ করেছে, তারা সাইফ স্পোর্টিংয়ে খেলতে পারেনি। দেশে ফিরে অন্য কোনো ক্লাবও পায়নি। তাই তারা দুস্থ জীবন কাটাচ্ছে। ফিফা এ সব কথা বিশ্বাস করে সাইফ স্পোর্টিংকে তিন প্লেয়ারের পুরো এক বছরের বেতন ১৪ মার্চের মধ্যে দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ডলার সাড়ে ৫ হাজার ডলার। মানে প্রায় কোটি টাকা। লকডাউনের কারণে টাকা পাঠাতে পারেনি সাইফ। ক্লাবটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, তারা ফিফার কাছে সময় চেয়েছিলেন। ফিফা উলটো জানিয়ে দিয়েছে, যতদিন টাকা পরিশোধ না হবে ততদিন সাইফের খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন স্থগিত থাকবে।
এ যেন রীতিমতো পচা শামুকে পা কাটল সাইফ স্পোর্টিংয়ের। এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ডাকাতির শিকার হলাম। টাকা যাচ্ছে সেটা বড়ো কথা না। যারা এক ম্যাচও খেলেনি। অথচ টাকা নিয়ে যাবে সেটাই দুঃখ লাগছে।’
এই কর্মকর্তা জানান ২০১৭ ফুটবল মৌসুমে খেলার জন্য ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সার্বিয়ান কোচ এনেছিল, সঙ্গে মন্টেনেগ্র, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়ার এক জন করে ফুটবলার আনা হয়। তারা কেডস ছাড়া বুট পায়ে খেলতে পারে না। কোচ মারামারি করেছিল। কোচ ও প্লেয়ারদের বিদায় দেয় সাইফ। এরপর তারা দেশে ফিরে ফিফার কাছে নিজেদের ‘দুর্দশার’ কথা জানিয়ে পুরো বছরের বেতন দাবি করে সফল হলো।