কারখানায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার মনিটরিং করছে বিজিএমইএ

ইত্তেফাক রিপোর্ট

চালু হওয়া গার্মেন্টস কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা তদারক করার জন্য টিম গঠন করেছে পোশাক শিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনের ছয় জন পরিচালকের নেতৃত্বে এসব পরিদর্শন টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। সংগঠন সূত্র জানিয়েছে, গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১৯৬টি কারখানা পরিদর্শনে ছয়টি বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে। কারখানা প্রবেশের আগে শ্রমিকদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ হয় কি না, কারখানার ভেতরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে কি না, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা আছে কি না—এমন বেশ কিছু সাইডলাইন অনুসরণ করা হয় পরিদর্শনকালে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ডিআইএফইর সহায়তায় এই গাইডলাইনটি তৈরি করা হয়। বিজিএমইএ ছাড়াও শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও নিয়মিত কারখানার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম ইত্তেফাককে জানান, কারখানার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পরিদর্শন করে নিয়মিত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পরিদর্শকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিল্পাঞ্চল পুলিশসূত্রে জানা গেছে, গতকাল সারা দেশে ২ হাজার ৮০৫টি কারখানা খোলা হয়েছে। এর মধ্যে গার্মেন্টসের বাইরে অন্যান্য খাতের কারখানাও রয়েছে। তবে এতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার (ডিএমপি) কারখানা অন্তর্ভুক্ত নেই। ঐসব কারখানার হিসাব যুক্ত হলে এই সংখ্যা আরো বাড়বে। এছাড়া শিল্পাঞ্চল এলাকায় বেতনভাতা, শ্রমিক ছাঁটাই ইস্যুসহ বিভিন্ন কারণে অন্তত ১১টি কারখানা শ্রম অসন্তোষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ঢাকায়ও অসন্তোষের খবর পাওয়া গেছে।