অনন্য এক কীর্তি গড়লো নিউজিল্যান্ড। জিতে নিলো টানা চতুর্থ টেস্ট সিরিজ। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ বক্সিং ডে টেস্টে সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টাও আসলো রেকর্ড ব্যবধানে। ৪২৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের রান বিবেচনায় এটিই সবচেয়ে বড় জয় নিউজিল্যান্ডের।
এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতলো নিউজিল্যান্ড। সিরিজে প্রথম টেস্ট ড্র করেছিল দু’দল। টেস্ট লড়াই শেষে আগামী তিন জানুয়ারি তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ড।
ম্যাচ জয়ের কাজটা চতুর্থ দিন শেষেই করে রেখেছিল নিউজিল্যান্ড। পঞ্চম ও শেষ দিনে শ্রীলঙ্কার ৪ উইকেট প্রয়োজন পড়ে কিউইদের। অপরদিকে, টেস্ট জিততে ৪ উইকেট হাতে নিয়ে ৪২৯ রান করতে হতো শ্রীলঙ্কাকে। জয়ের জন্য ৬৬০ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ দিন শেষে লঙ্কানদের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ২৩১ রান ।
দিলরুয়ান পেরেরা ২২ ও সুরাঙ্গা লাকমাল ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে আঘাত হানেন নিউজিল্যান্ড পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ১৮ রান করা লাকমলকে শিকার করেন তিনি। পরের ওভারে পেরেরাকে বিদায় দেন আরেক পেসার নিল ওয়াগনার। ২২ রানে আটকে যান পেরেরা।
এরপর দিনের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে শ্রীলঙ্কার দশম ব্যাটসম্যান দুসমন্ত চামিরাকে ব্যক্তিগত ৩ রানে তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন বোল্ট। আগের দিন ব্যথা পেয়ে ব্যক্তিগত ২২ রানে ক্রিজ ছেড়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। আজও ব্যাট হাতে নামতে পারেননি তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের অলআউট করতে আজ ১৪ বল খরচ করেছেন নিউজিল্যান্ডের বোলাররা। দলের পক্ষে নিল ওয়াগনার ৪৮ রানে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন। ট্রেন্ট বোল্ট তিনটি ও টিম সাউদি দু’টি উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাউদি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড : ১৭৮ ও ৫৮৫/৪ডি, ১৫৩ ওভার (লাথাম ১৭৬, নিকোলস ১৬২*, কুমারা ২/১৩৪)।
শ্রীলঙ্কা : ১০৪ ও ২/২৩৬, ১০৬.২ ওভার (মেন্ডিস ৬৭, চান্ডিমাল ৫৬, ওয়াগনার ৪/৪৮)।
ফল : নিউজিল্যান্ড ৪২৩ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : টিম সাউদি (নিউজিল্যান্ড)।
সিরিজ : দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জিতলো নিউজিল্যান্ড।