এগিয়ে আসছে ছোট সংগঠন গুলোও

দেশের সঙ্কটকালীন সময়ে সরকারের পাশাপাশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বড়ো বড়ো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তি উদ্যোগও বিতরণ হচ্ছে খাদ্রসমাগ্রী ও সুরক্ষা উপকরণ। উদ্দেশ্যে, করোনা বিরুদ্ধে লড়াই। এদিকে বসে নেই পাড়া-মহল্লার ছোটছোট সংগঠনগুলো। সাধ্য মতো সহযোগিতা করে চলেছেন এই সব সংগঠনের সদস্যরা।

সোমবার বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরে পেশাজীবীদের সংগঠন বন্ধুসভা সঞ্চয় প্রকল্পের উদ্যোগে প্রায় একশ পরিবারে খাদ্যসমাগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পৌর এলাকার কর্মহীন মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সহযোগিতা পৌঁছে দেন সংগঠটির সদস্যরা।

খাদ্যসামগ্রী হিসেবে প্রতিটি পরিবারের জন্য ছিল- পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি মসুর ডাল, এক কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি আলু, এক কেজি ময়দা, হাফ লিটার সোয়াবিন তেল ও হাফ কেজি লবণ।

বন্ধুসভা সঞ্চয় প্রকল্পের সভাপতি ডা. সামিউল হক, সহ সভাপতি ডা. ধীমান সাহা জানান, ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি একত্রিত হয়ে সাংগঠনিকভাবে দেশের এই সঙ্কট সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এখন কোনো উদ্যোগকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। যে যার অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে মানুষ লড়াই করার শক্তি ও সাহস পাবে।

আরও পড়ুন: সাধারণ ছুটি বাড়লো ১৬ মে পর্যন্ত

সঞ্চয় প্রকল্পটির কোষাধ্যক্ষ অনুপ কুন্ডু জানান, খুব বেশি কিছু নয়; সাধ্যের মধ্যে থেকেই মানুষের জন্য এগিয়ে আসা। এ থেকে অন্যরা উৎসাহ পেলে আমাদের উদ্যোগ সার্থক হবে।

এসময় সংগঠনটির অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সম্পাদক জয়নুল আবেদীন, তাপস বসাক, বিপ্লব মোহন্ত, অরুণ দত্ত, কানন আহসান, মিলন বসাক, আশরাফুল ইসলাম, ধ্রুব জ্যোতি কিশোর মুন্সী, রিয়াদ মোর্শেদ, দিপক মজুমদার, অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী, কানাই কর্মকার, বিশ্বজিৎ পোদ্দার, বিদ্যুৎ সরকার, আল ফারুক প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এসি