যমুনায় ভাঙছে চৌহালী উপজেলা

বৈশাখ মাসে দেশের নদ-নদীর পানি থাকে অল্প। যমুনা নদীতেও এখন তেমনি পাড় ঘেঁষে খুব অল্প পানিরই প্রবাহ রয়েছে। এই অল্পপানি প্রবাহেও যমুনার ভাঙন থামেনি! একের পর এক ভেঙে যাচ্ছে বসতভিটা। ভাঙছে মানুষের স্বপ্ন! চৌহালী উপজেলার উজানে খাষকাউলিয়া ইউনিয়ন সম্প্রতি একটি বাঁধপ্রকল্পের আওতায় পড়লেও, ভাটি অঞ্চলের বাঘুটিয়া ও খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নের যে অল্প অঞ্চল এখনো টিকে আছে, তা সারা বছর ভাঙছেই! হাটাইল-চৌহালী সড়কটিরও ৭ কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এরই মধ্যে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো কর্মকর্তা চৌহালী পরিদর্শনে আসেন না! আসবেন কী করে? সিরাজগঞ্জ জেলা সদর থেকে চৌহালীতে আসতে ন্যূনতম ৪ ঘণ্টা সময় লাগে, যার আড়াই ঘণ্টা ব্যয় হয় নৌকায়। টাঙ্গাইল শহর থেকেও এর দূরত্ব আড়াই ঘণ্টা। যোগাযোগের ভালো রাস্তাও নেই। ফলে যমুনার প্রবল ভাঙনই যেন এই অঞ্চলের মানুষের ভবিতব্য! বর্ষা কিংবা শীত; চৌহালী ভাঙবেই! পরিশেষে, চৌহালীর সামান্য যে স্থল অংশ রয়েছে, সেটুকু রক্ষায় কি আশু ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

মো. ইমরান হোসেন, শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়