এই সংক্রমণ যদি অব্যাহত থাকে তাহলে হার্ড ইমিউনিটি না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। হার্ড ইমিউনিটি অর্থাত্ কিছু লোক মারা যাবে এবং অনেক মানুষ ইমিউন (প্রাকৃতিকভাবে ভাইরাস প্রতিরোধী) হয়ে যাবে। মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠলে তবেই এই ভাইরাস থেকে ব্যাপক সংক্রমণের আশঙ্কা চলে যাবে।
—অধ্যাপক নজরুল ইসলাম
ভাইরোলজিস্ট
(সূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক, ৫ মে ২০২০)
স্বর্গ আর নরকের মাঝখানের দেয়ালটা ভেঙে পড়েছে। তাই দিয়ে মাঝেমধ্যেই নরকবাসীরা স্বর্গে ঢুকে পড়ে। এ নিয়ে স্বর্গবাসীরা ঈশ্বরের কাছে আবেদন করল। ঈশ্বর বলল, আমি একটু ঝামেলায় আছি— তোমরা নিজেরাই দেয়ালটা ঠিক করে নাও। স্বর্গবাসীরা কী করবে নিজেরাই দেয়ালটা ঠিক করে নিল। এদিকে নরকবাসীরা স্বর্গের মজা পেয়ে গেছে; তারা ফের নিজেরাই দেয়াল ভেঙে আবার যাতায়াত শুরু করল। এবারও স্বর্গবাসীরা ঈশ্বরের কাছে আবেদন করল। ঈশ্বর রেগে গিয়ে নরকবাসীর নেতাকে ডেকে পাঠালেন, গতবার স্বর্গবাসীরা দেয়াল ঠিক করেছে—এবার তোমরা দেয়াল ঠিক করবে।
আমরা ওসব পারব না।
বেশ তাহলে আমি মামলা করব।
করুন। মুচকি হেসে বলল নরকবাসীরা।
ঈশ্বর খেপে গেলেন, হাসলে কেন?
হাসব না মামলা যে করবেন উকিল পাবেন কোথায়? উকিল তো সব নরকে।